বাগেরহাটে ওএমএস ও টিসিবির পণ্য ক্রয়ে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না

বাগেরহাট প্রতিনিধি॥ বাগেরহাট জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ওএমএস ও টিসিবির পণ্য কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। এই দীর্ঘ লাইনে মানুষ করোনা ঝুঁকি এড়াতে ৩ ফুট দূরত্বের সামাজিক দূরত্বও মানছেনা। এত করে বাগেরহাট জেলাজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝঁকি বেড়েই চলেছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মনিটরিং করা হচ্ছে।
শরণখোলা প্রেস ক্লাবের সামনে ট্রাকে করে খোলাবাজারে টিসিবির ডিলার রায়েন্দা ট্রেডার্সের কর্ণধার মো. শহিদুল ইসলাম মসুর ডাল, চিনি ও সয়াবিন তেল বিক্রি করেন। একজন ক্রেতা দিনে সর্বোচ্চ এক কেজি ডাল, দুই কেজি চিনি এবং পাঁচ লিটার তেল কিনতে পারছেন। সপ্তাহে ৬ দিন টিসিবির পণ্য সরকার নিধারিত মূল্যে কেনার সুযোগ থাকলেও সাধারণ মানুষ এসব পণ্য কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন।
করোনা পরিস্থিতিতে ৩ ফুটের সামাজিক দূরত্ব মানছেনা কেউ। টিসিবির ডিলার বার বার ক্রেতাদের ৩ ফুটের সামাজিক দূরত্ব নিয়ে লাইনে দাঁড়াবার কথা বললেও তা কেই আমলে নেয়নি। একই অবস্থা দেখা গেছে বাগেরহাট শহরে ওএমএসের পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর সামনে। সেখানে ৩ ফুট পরপর বৃত্ত একে দেওয়া হলেও মনিটরিং না থাকায় তা কেউ মানছে না। এ বিষয়ে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, করোনার সংকটময় মুহূর্তে সরকার জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রমজান মাস পর্যন্ত এ ব্যবস্থা চালু থাকবে। সঠিকভাবে পণ্য সরবরাহ এবং করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে।

ভাগ