করোনা আতঙ্কে কলম্বিয়ার কারাগারে দাঙ্গা, নিহত ২৩
লোকসমাজ ডেস্ক॥করোনাভাইরাসের আতঙ্কের মধ্যেই কলম্বিয়ার একটি কারাগারে দাঙ্গায় ২৩ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো প্রায় ৮৩ জন। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে আরো কয়েকটি কারাগারে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। রোববার রাতে দাঙ্গার খবর নিশ্চিত করে কলম্বিয়ার আইনমন্ত্রী জানান, করোনাভাইরাসের বিশ্বব্যাপী প্রাদুর্ভাবের মধ্যে কারাগারে বন্দীরা গণ-বাথরুম ব্যবহার নিয়ে বিক্ষোভ করার সময় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে মন্ত্রী মার্গারিটা কাবেলো এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘আজ আমাদের দেশের জন্য খুবই দুঃখজনক ও কষ্টের দিন। আমি আপনাদের জানাতে বাধ্য হচ্ছি যে লা মোডেলো কারাগারের আসামিরা পালানোর চেষ্টা করেছে। আরো বেশ কয়েকটি কারাগারে বিদ্রোহ করেছে। তাতে সৃষ্ট অরাজকতা ও দাঙ্গায় ২৩ জন মারা গেছে। আহত হয়েছে ৮৩ জন।’ কলম্বিয়ার বোগোটার লা মোডেলো কারাগারটি সবচেয়ে বড় ও জনাকীর্ণ। সেখানে প্রায়ই হাঙ্গামা হয়। নিহত ২৩ জনের সবাই সেখানকার। তবে কেউ কারাগার থেকে পালাতে পারেনি।
লকডাউন না মানলে কড়া আইনি ব্যবস্থার নির্দেশ মোদীর
লোকসমাজ ডেস্ক॥ভারতে বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতি যারা মানবেন না তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট করে জানিয়েছে প্রশাসন। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে নোটিস দিয়ে বলা হয়েছে, সরকারি নির্দেশের লঙ্ঘন চোখে পড়লে ১৮৮ ধারা অনুযায়ী, ২০০ টাকা জরিমানা-সহ ১ মাসের জেল হতে পারে নিয়ম লঙ্ঘনকারীর। আর তার জন্য অন্য কারও জীবন ও নিরাপত্তা বিঘিœত হলে, সেক্ষেত্রে জেল হতে পারে ছ’মাস পর্যন্ত। দিতে হতে পারে ১০০০ টাকা জরিমানাও। ভারতে গত কয়েকদিনের মধ্যেই লাফিয়ে বেড়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। সরকারি তথ্য দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এ প্রাণঘাতী ভাইরাসে। অনেকেই বলছেন, মানুষ সচেতন না হলে এ সংক্রমণ আরও ছড়াবে। ফলে ভারতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে সবাইকে লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার টুইটে তিনি লিখেছেন, “অনেকে এখনও লকডাউনকে পাত্তা দিচ্ছেন না। দয়া করে নিজেকে বাঁচান, আপনার পরিবারকে বাঁচান, এ নির্দেশগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে অনুসরণ করুন। আমি রাজ্য সরকারগুলোকেও অনুরোধ করছি যাতে সব রাজ্যেই এসব নির্দেশিকা মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।”
রাজকর্মী আক্রান্ত, প্রাসাদ ছাড়লেন রানি এলিজাবেথ
লোকসমাজ ডেস্ক॥ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথ লন্ডনের বাসভবন বাকিংহাম প্রাসাদে থাকাকালে সেখানকার এক রাজকর্মীর দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে বলে খবর হয়েছে। ‘পূর্বসতর্কতা’ হিসেবে বৃহস্পতিবার ৯৩ বছর বয়সী রানিকে উইন্ডসর দুর্গে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ব্রিটিশ গণমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া। এর আগে তার সব ধরনের সূচী বাতিল করা হয় এবং তিনি সুস্থ আছেন বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ওই রাজকর্মী রানির কতোটা কাছাকাছি ছিলেন তা পরিষ্কার হয়নি। কিন্তু তারপর থেকে বাকিংহাম প্রাসাদের অন্য যে কর্মীরা ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের সবাই স্বেচ্ছা আইসোলেশনে আছেন বলে জানা গেছে। “রানি উইন্ডসরে যাওয়ার আগেই ওই কর্মীর করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। প্রাসাদে (বাকিংহাম) ৫০০ কর্মী আছে, তাই যেকোনো কর্মস্থলের মতো এখানেও কোনো পর্যায়ে এর প্রভাব পড়বে তা ধারণা করা যায়,” এক রাজকীয় সূত্র এমনটিই বলেছেন বলে তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য সান। করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া ওই রাজকর্মীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। গত সপ্তাহের প্রথম দিকে তার দেহে প্রাণঘাতী ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হয় এবং তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।





