স্টাফ রিপোর্টার॥ যশোরের অভয়নগরে যুবলীগ কর্মী মুরাদকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে তার পিতা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় একই দলের নেতাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ একই রাতে এক নারীসহ তিন জনকে আটক করে।
আটককৃতরা হলেন ধোপাদী মোসলেম সরদারে ছেলে খলিল,একই গ্রামের লুৎফার মজুমদারের ছেলে ইলিয়াছ মজুমদার, রফিকুল মজুমদারে স্ত্রী জেসমিন আক্তার। গতকাল বুধবার সকাল ১০ টায় তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে মোমিম মজুমদারের ছেলে ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল মজুমদার, তার ভাই ইউসুফ মজুসদার, সাকিব মজুমদার, মোসলেম সরদারের ছেলে খলিল, সোহরাব, মেহেরব, লুৎফার মজুমদারের ছেলে ্ইলিয়াস হোসেন(২৫), উমর আলী ফকিরের ছেলে আবু সুফিয়ান, লোকমান মোল্যার ছেলে বিল্লাল হোসেন, ইজা মোল্যার ছেলে আরজ মোল্যা, আয়ুব আলীর ছেলে নাইম সরদার, আব্দুল গনি মোল্যার ছেলে মিজানুর, জাহির সরদারের ছেলে সোহেল, কাদের গাজীর ছেলে নাসির গাজী, রফিকুল মজুমদারে স্ত্রী জেসমির আক্তার। উল্লেখ্য, ধোপাদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্রিকেট খেলা করছিলো। এসময় খেলায় দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি মিটানোর জন্য এক পক্ষের লোকজন মুরাদ হোসেনকে ডেকে আনে। তখন বিষয়টি শুনে মুরাদ হোসেন প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়ারকে চড় মারে। এবং খেলা বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। পরে সে স্থানীয় নতুন বাজারে তরিকুল ইসলামের চায়ের দোকানে বসে দলীয় লোকজনের সাথে কথা বলছিল। এ সময়ে অভিযুক্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত মুরাদকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তার অবস্থা আংশকা জনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরির্দশক আতাউর রহমান জানান, ১৫ জনকে আসামি করে আহত মুরাদের পিতা মাহাবুল সরদার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।





