স্টাফ রিপোর্টার ॥ হ্যান্ডশেককে (করমর্দন) কেন্দ্র করে গতকাল সোমবার যশোর সরকারি এম এম কলেজে মামুনুর রশিদ রনি নামে একজন ছাত্র ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। তিনি অনার্স দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে আলমাস হোসেন নামে কলেজের একই বিভাগের একজন ছাত্রকে আটক করেছে। আলমাস হোসেন মাগুরা সদর উপজেলার টিলাগ্রামের ওহাব মোল্যার ছেলে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত রোববার আলমাস হোসেন তার সহপাঠী মামুনুর রশিদ রনির সাথে হ্যান্ডশেক করেন। জোরে হ্যান্ডশেক করায় রনি হাতে ব্যথা পান। ফলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে দেখে নেওয়ার জন্য আরেক যুবককে সাথে নিয়ে সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে কলেজে যান। ভূগোল বিভাগের সামনে আলমাস হোসেনকে পেয়ে তার ওপর চড়াও হন রনি। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আচমকা আলমাস সহপাঠী রনির বুকেসহ কয়েকটি স্থানে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে তার অন্য সহপাঠীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসাপাতালে নিয়ে যান। পুরাতন কসবা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ ইনসপেক্টর মিলন কুমার মন্ডল জানান, খবর পেয়ে তারাসহ কোতয়ালি থানার এসআই সাইফুল মালেক ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে তারা কলেজের ছাত্র আলমাস হোসেনকে আটক করেন। তবে ছুরিটি উদ্ধার করা যায়নি।





