যশোর-বেনাপোল নির্মাণাধীন সড়কে ৩০ ফুটের স্থলে ২৪ ফুট কার্পেটিং করায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

মনিরুল ইসলাম মনি, শার্শা (যশোর) ॥ যশোর-বেনাপোল নির্মাণাধীন সড়কটি ৩০ ফুটের স্থলে ২৪ ফুট কার্পেটিং করায় বিক্ষুব্ধ হয়েছেন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীরা। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মফিজুর রহমান সজন ৩০ ফুট কার্পেটিং করার দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে বাণিজ্যে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর দেশের সিংহভাগ শিল্প কলকারখানা ও গার্মেন্টস মালামাল আমদানি হয় এ বন্দর দিয়ে। এ স্থলবন্দর দিয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকার মালামাল আমদানি-রফতানি হয়। এ ক্ষেত্রে এ বন্দর থেকে ৫ হাজার ৫ শ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে এ বন্দরটি এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। চার দেশীয় ট্রানজিট করিডোর এই বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর। ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল অত্যন্ত সন্নিকটে বিধায় কম সময়ে এ বন্দর দিয়ে মালামাল আমদানি করা সম্ভব। সে কারণে কলকাতা থেকে বেনাপোল হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মালবাহী ট্রাক, চেসিস ও বিভিন্ন ধরনের দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল করে থাকে। বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন শ শ পাসপোর্ট যাত্রী ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করে থাকেন। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মফিজুর রহমান সজন বলেন, যশোর- বেনাপোল সড়ক আন্তর্জাতিক মানের প্রস্ততকরণ এবং পরবর্তীতে রাস্তা ৬ লেন করার লক্ষ্যে রাস্তার পাশে পুরাতন, জীর্ণ গাছগুলো অপসারণ জরুরি। তিনি জানান, যশোর-বেনাপোল সড়ক নির্মাণ ঠিকাদার মেসার্স মোজাহার কোম্পানি যেভাবে রাস্তাটি চওড়া করে কাজ শুরু করেছিল কার্পেটিংয়ে তা হচ্ছে না। সরেজমিন দেখা গেছে, ফাইনাল কাজে সড়কের উভয় পাশ হতে ৩ফুট করে বাদ দিয়ে কার্পেটিং হচ্ছে। যা দেথে স্থানীয় মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মাধে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদৈর পক্ষ থেকে ৩০ফুট চওড়া সড়কের সবটুকুই কার্পেটিংয়ের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীবৃন্দ।

ভাগ