স্টাফ রিপোর্টার॥ কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, ধ্বংস হয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের একক দাবিদার আওয়ামী লীগ সরকার নিজ হাতেই গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছে। আর মিথ্যা সাজানো মামলায় গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দিনের পর দিন কারাবন্দি করে রেখেছেন। গতকাল মঙ্গলবার জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে আছে স্বৈরাচারী দাবানল। দেশে এখন আইনের শাসন নেই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই। সবকিছুই চলে প্রধানমন্ত্রীর কথা। সরকারের বিপক্ষে রায় দেয়ার কারণে সে দেশের প্রধান বিচারপতিকে শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সে দেশের বিচার ব্যবস্থা কেমন চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সে কারণে সরকারের ইচ্ছার বাইরে বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, প্রয়োজনে আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনা হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই স্বৈরাচারের পতন আর গণতন্ত্রের মুক্তি। যে কারণে স্বৈরাচারী সরকার তার নিজের পতন ঠেকাতে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে না। তাই, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্র পথ তীব্র গণআন্দোলন। যে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার আর মুক্ত হবে দেশের গণতন্ত্র। সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম। সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিন্টু, এবিএম সেলিম। সম্মেলনে জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচন কমিশনার অ্যাড. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. জাফর সাদিক, অ্যাড. মোহাম্মদ ইসহক। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এমএ গফুর। সম্মেলনে আবু মোর্তজা ছোটকে সভাপতি করে ও আমিনুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ রুহুল কুদ্দুস কচি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মন্টু। সম্মেলন শেষে প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের নিয়ে কারবালা কবরস্থানে গিয়ে সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন।





