কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা ॥ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামের একটি বাড়িতে নাসির হোসেন নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশ কনস্টেবল নাসির ও বাবরা গ্রামের এক গৃহবধূকে মারধর করে পরিবারের অন্য সদস্যরা। এরপর কালীগঞ্জ থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন কালীগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। সোমবার রাত ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার বাড়ি কাশিপুর। সেখান থেকেই নাসিরের সাথে তার পরিচয়। তিনি আমার বাড়িতে দুই দিন এসেছেন। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় তাকে আমি নাস্তা খেতে দেই। তিনি যখন নাস্তা খাচ্ছিলেন তখন হঠাৎ কয়েকজন ঘরের মধ্যে ঢুকে আমাদের মারধর শুরু করেন। তিনি আরো জানান, আমার স্বামী চিনিকলে চাকরি করেন। তিনি বাড়িতে ছিলেন না। আমার শ^শুর বাড়ির অনেকেই আমাকে ভালো চোখে দেখেন না। এজন্য আমাকে নিয়ে এমন চক্রান্ত করছেন। ওই পুলিশের সাথে আমার খারাপ কোন কিছুই ঘটেনি। আপত্তিকর অবস্থায় দেখা জুয়েল নামের এক যুবক বলেন, তিনি আমার ভাইয়ের স্ত্রী। আমি বাড়িতে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী বলে, দেখো ওই ঘরে কে যেন এসেছে। অনেক সময় হয়ে গেছে এখনো বের হয়নি। এরপর আমি ভাত খেয়ে আমার চাচার সাথে নিয়ে দেখি দুইজনই বিবস্ত্র। এরপর তাদের আমরা বন্দি করে রাখি। ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন বলেন, ওই মহিলা পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে। এ জন্যই মূলত আসা। আসার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছুই না। কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, নাসির নামে ওই পুলিশ সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।




