শাস্তি ভুলে আনন্দই করছেন বিশ্বজয়ী রাকিবুলরা

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বৈশ্বিক কোনও টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ। আর তাতেই চ্যাম্পিয়ন! ফাইনাল মানেই উত্তেজনা, গত রবিবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল উত্তেজনা একটু বেশিই দেখেছে। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের শেষে ঘটে গেছে বাজে ঘটনাও। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হয়েছে কথা কাটাকাটি, প্রায় হাতাহাতির মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় বাংলাদেশের অধিনায়ক আকবর আলী দুঃখ প্রকাশ করেছেন, কিন্তু ভারতীয় দল এমন সৌজনসূচক কোনও কথা বলেনি। ফাইনালের পরের মাত্রা ছাড়া আচরণে আইসিসি বাংলাদেশের তিন ও ভারতের দুইজন ক্রিকেটারকে শাস্তি দিয়েছে। এই শাস্তি বলবে বাংলাদেশের যুব ক্রিকেটারদের দোষই বেশি, তবে কম যাননি ভারতীয় যুবারাও। বাংলাদেশের তিন এবং ভারতের দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে আইসিসির আচরণ বিধির লেভেল-৩ ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুই দলের দোষের মাত্রাটা দেখা যাচ্ছে ৬০-৪০!
বাংলাদেশের রাকিবুল হাসান, তৌহিদ হৃদয় ও শামীম হোসেনকে শাস্তি দিয়েছে আইসিসি। হৃদয়ের ভাগ্যে জুটেছে সবচেয়ে বেশি ১০টি সাসপেনশন পয়েন্ট, শামিমকে দেওয়া হয়েছে ৮টি সাসপেনশন পয়েন্ট এবং রাকিবুলকে জুটেছে ৪টি সাসপেনশন পয়েন্ট। সাধারণত একটি সাসপেনশন পয়েন্ট পাওয়া মানে একটি ওয়ানডে/টি-টোয়েন্টি অথবা অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা। ফলে পয়েন্ট অনুসারে ৪ থেকে ১০ ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবেন সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা। আর তা কার্যকর হবে আসন্ন আন্তর্জাতিক যেকোনও ম্যাচে। সেটা হোক বয়সভিত্তিক বা বড়দের ম্যাচে। বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার রাকিবুল হাসান বিষয়টি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেছেন, ‘কথা কাটাকাটি হয়েছিলো। ম্যাচ রেফারি আমাদের ডেকেছিলেন, ভিডিও দেখিয়েছেন, আমরা যারা দোষী ছিলাম, তারা শাস্তি পেয়েছি। এটা নিয়ে ভেবে লাভ নেই।’ ব্যাটিং অলরাউন্ডার শামিম হোসেনও একই কথা বলেছেন বাংলা ট্রিবিউনকে, ‘অপরাধ করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। আমরা শাস্তি মাথা পেতে নিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা, শাস্তি নিয়ে ভাবছিও না। আমরা ট্রফি জয়ের আনন্দ নিয়েই আছি।’

ভাগ