বনের ভেতর অবকাঠামো: ক্ষতিপূরণ চাইবে মন্ত্রণালয়

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ বিভিন্ন সংরতি বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে রাস্তাঘাট, রেললাইন, বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ করা হলেও বেশিরভাগ েেত্র বনবিভাগের অনুমতি নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এখন সেগুলোর জন্য তিপূরণ আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। নির্মিত এবং নির্মাণ চলমান এসব অবকাঠামোয় বনের য়তির পরিমাণ প্রথমে নিরূপণ করবে বন বিভাগ। এরপর সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কাছে তিপূরণ চাইবে তারা। সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় কী পরিমাণ রাস্তাঘাট ও বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ করেছে, তার তথ্য তুলে ধরা হয়। তবে, সংরতি বনে কী পরিমাণ রেললাইন রয়েছে, সেই তথ্য ওই বৈঠকে আসেনি।
সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “আইন অনুযায়ী সংরতি বনের ভেতর রাস্তাঘাট, রেল লাইন ও বিদ্যুতের লাইন নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। কী পরিমাণ হয়েছে তার একটি তথ্য আমরা নিয়েছি। “আমাদের একটি উদ্বেগের বিষয় যে পরিমাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে তাতে বন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের যে তি হয়েছে, তা অ্যাসেসমেন্ট করব। আমরা সংশ্লিষ্টদের কাছে তার তিপূরণ চাইব।” ওই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা শেষে এসব অবকাঠামো নির্মাণে গাছ-গাছালিসহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের কী পরিমাণ য়তি হয়েছে, মন্ত্রণালয়কে তা নিরূপণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সরকারের কোন কোন সংস্থা, কী পরিমাণ তি করেছে, তা যাচাই করে তাদের থেকে তিপূরণ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সংরতি বনের মধ্যদিয়ে ভবিষ্যতে তাদের এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করা না হয় তার সুপারিশও আসে বৈঠক থেকে। এমন কী বিদ্যমান প্রকল্পগুলো ‘বাইপাস’ করে বনের পাশ দিয়ে নেওয়া যায় কি না, সেই আলোচনাও হয় বৈঠকে। বৈঠকে বন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রটোকল তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। যাতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় নতুন কোন প্রকল্প তৈরির সময় সংরতি বনের বিষয়টি বিবেচনায় আনে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনারও পরামর্শ আসে ওই সভা থেকে।