যশোরে চিকিৎসকের ২০৭ পদের ৪৭টিই শূন্য : প্রসূতি সেবা স্থবির :সিভিল সার্জন

0

বিএম আসাদ ॥ যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে ৮৭ জন নতুন চিকিৎসক যোগদান করার পরও ২০৭টি পদের মধ্যে ৪৭টি পদই শূন্য রয়েছে। গাইনি বিশেষজ্ঞের অভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় যশোরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত সিভিল সার্জন ডা. শেখ মো. আবু শাহীন এ তথ্য জানান। মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, যশোরের ৮টি উপজেলায় মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ২শ’ ৭টি। এর ভেতর শূন্য হয়ে পড়েছে ৪৭টি। ৩৯তম বিসিএম ক্যাডারের ৮৭ জন চিকিৎসক নতুন করে যোগদান করেছেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট পদে চাকরিরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন নিয়ে মেডিকেল কলেজসহ জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে চলে গেছেন। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বিশেষজ্ঞ (সিনিয়র) চিকিৎসকের সংকট দেখা দিয়েছে। গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে মনিরামপুর, শার্শা ও অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মা ও প্রসূতি সেবা (ইওসি) বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের জন্যে কেশবপুর হতে মনিরামপুর, ঝিকরগাছা হতে শার্শায় এবং বাঘারপাড়া উপজেলা হতে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন গাইনি জুনিয়র কনসালটেন্ট ও ৩ জন এ্যানেসথেশিয়া জুনিয়র কনসালটেন্ট মিলে ৬ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে ওই ৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মা ও প্রসূতি সেবা অব্যাহত রেখেছেন। জেলায় ৩ জন আরএমও ৩৭ জন কনসালটেন্টসহ ৪৭টি পদের সিনিয়র চিকিৎসক অন্যত্র পদায়ন হওয়ায় পদগুলো শূন্য হয়ে পড়ে। এতে উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন যোগদানকারী চিকিৎসকের অভিজ্ঞতার অনেক অভাব রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. শেখ মো. আবু শাহীন বলেন, নানা সমস্যার মধ্যেও সকলের সহযোগিতা পেলে তিনি যশোর জেলার চিকিৎসাসেবা ভালো পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে তিনি হেলথ কার্ড চালু করবেন। সভায় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. প্রতিভা ঘরাই, এমওসিএইচ ডা. মাশহুরুল হক, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।