স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে যৌতুকের দাবিতে কিশোরী বধূকে নির্যাতনের অভিযোগে সুজন হোসেন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী মাহমুদা খাতুন সোমবার আদালতে এ মামলা করে। সে সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম তার অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আদেশ দিয়েছেন। একই সাথে ভুক্তভোগী মাহমুদা খাতুনকে অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বিয়ে দেয়ার বিষয়ে তার পিতা ও সৎমায়ের পরিচয় খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন আদালত।
আসামি সুজন হোসেন সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের সেকেন্দার হোসেনের ছেলে। মাহমুদা খাতুনের অভিযোগ, তার পিতা মোহাম্মদ আলী ও সৎমা জোর করে তাকে আসামি সুজনের সাথে বিয়ে দেন। তাকে বিয়ে করার জন্য তার আপন মায়ের অনুপস্থিতিতে সুজন পিতাকে অর্থের লোভ দেখিয়েছিলেন। ফলে ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সুজনের সাথে তার (মাহমুদা) বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর সে একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেয়। কিন্তু তার স্বামী সুজন বিয়ের পর থেকে তার কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছেন। এ জন্য তিনি তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। বিষয়টি তার পিতা ও সৎমাকে জানলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বরং তারা তাকে সুজনের সাথে থাকতে বাধ্য করেন। এরপর ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর সন্তানসহ মাহমুদা খাতুনকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন সুজন।





