মুশফিককে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে চান মুমিনুল, দোটানায় ডমিঙ্গো
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে দোটানায় কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকের মত আবার ভিন্ন। মুশফিকুর রহিম পাকিস্তানে যাবেন না। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের জন্য ঘোষিত দলে সে কারণে তাঁকে রাখা হয়নি। এপ্রিলে করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে আরও একটি টেস্ট। এই দুই টেস্টের মাঝখানে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ। পাকিস্তান সফরে দলে না থাকলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তো খেলবেন মুশফিক। কিন্তু পাকিস্তানে দুই টেস্টে দলে না থাকা মুশফিককে জিম্বাবুয়ের জন্য নির্বাচন করা হবে কি না, সেটি নিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট।
সমস্যাটা দল নির্বাচনের অধারাবাহিকতা নিয়েই। দলের মধ্যে চলছে দোটানা। ব্যাপারটি স্বীকার করেছেন কোচ রাসেল ডমিঙ্গোও, ‘এ দলটা এক টেস্টের জন্যই দেওয়া। পাকিস্তান থেকে ফিরে পরের টেস্ট নিয়ে ভাবা যাবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, এভাবে একাদশ গঠন করা কঠিন। এক ম্যাচে এক রকম, পরের ম্যাচে আবার বদলাও। এরপর পরের ম্যাচে আবার বদলাও। আমি ছেলেদের টানা সুযোগ দিতে চাই। তবে মুশফিককে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে, কারণ ভারতে সে-ই আমাদের সেরা ব্যাটসম্যান ছিল।’ বিসিএলে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল ও ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের ম্যাচ শেষে একই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলে মুশফিককে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি, ‘দেখুন, এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনারাও জানেন, আমি জানি, সারা দেশ জানে, ক্রিকেট বিশ্বও জানে। মুশফিক ভাইয়ের মতো একজন ব্যাটসম্যান না খেললে যেকোনো দলই তাঁর শূন্যতা অনুভব করবে। এটা অধিনায়ক ও দলের সবার জন্য বড় একটা ক্ষতি। এটাও বলার অপেক্ষা রাখে না, উনি যদি ফিট থাকেন, অবশ্যই জিম্বাবুয়ের সঙ্গে খেলবেন।’
১১৭৮ কোটি টাকার ভুল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ লা লিগা টুইটার‘নতুন রোনালদো’ নামে খুব বেশি দিন পরিচিত হতে হয়নি। ছয় মাসেই যে চমক দেখিয়েছেন, তাতে জোয়াও ফেলিক্স নামটাই পরিচিতি পেয়ে গেছে। ইউরোপা লিগ ও পর্তুগিজ লিগে গতি ও ড্রিবলিং দিয়ে ডিফেন্ডারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন। আঁতোয়ান গ্রিজমানকে বার্সেলোনার কাছে হারানোর পর তাই নতুন তারকা খুঁজতে গিয়ে জোয়াও ফেলিক্সকেই পছন্দ হয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের। ১২৬ মিলিয়ন ইউরো (১১৭৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা) খরচ করে ফেলিক্সকে নিয়ে এসেছে অ্যাটলেটিকো। নতুন ক্লাবে এসে এখন পর্যন্ত দলবদলের অঙ্কটা সঠিক প্রমাণ করতে পারেননি। ১৯ বছর বয়সে নতুন ক্লাবে এসে মানিয়ে নিতে সময় লাগছে। ২৩ ম্যাচে এখন পর্যন্ত ৪ গোল করেছেন। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ২ গোল। অর্ধ মৌসুম শেষ হতে না হতেই দলবদলের সাফল্য-ব্যর্থতা বিবেচনা করাটা ঝুঁকিপূর্ণ। তবু সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও ডাচ্ মিডফিল্ডার রাফায়েল ফন ডার ভার্ট বলছেন এ দলবদল ভুল হয়েছে। এ সপ্তাহেই হয়ে গেছে ঘরোয়া ফুটবলের শেষ ‘মাদ্রিদ ডার্বি’। সে ম্যাচে চোটের কারণে খেলা হয়নি ফেলিক্সের। ফন ডার ভার্টের চোখে শনিবার ফুটবল খেলার কোনো চেষ্টা করেনি ডিয়েগো সিমিওনের দল। আর এ কারণেই তাঁর মনে হচ্ছে, দল বাছাই করতে বড় ভুল করেছেন ফেলিক্স। মাদ্রিদ ডার্বি নিয়ে বলতে গিয়ে তরুণ পর্তুগিজ উইঙ্গারকে নিয়েই কথা বলেছেন সাবেক ডাচ্ মিডফিল্ডার, ‘জোয়াও ফেলিক্স ভালো খেলোয়াড়। কিন্তু সে ভুল ক্লাবে আছে। ওরা যখন পর্তুগিজ এই স্ট্রাইকারকে নিল, ভাবলাম সিমিওনে বোধ হয় বদলাবেন এবং নতুন ধরনের ফুটবল (আক্রমণাত্মক) খেলাবেন। কিন্তু তা আর হলো কই। আমি জানি জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এমন প্রতিশ্রুতিশীল একজন খেলোয়াড় আছে আপনার, আপনার তো খেলার ধরন এমন করতে হবে, যাতে সে ভালো খেলতে পারে।’ ছয় মাস আগে পুরো ইউরোপ যাকে পাওয়ার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিল, তাঁর এমন পতন দেখে দুঃখ পাচ্ছেন ফন ডার ভার্ট। আর পেছনে পুরো দায় দিচ্ছেন সিমিওনেকে, ‘অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ রক্ষণে পুরো মনোযোগ দিয়ে প্রতি–আক্রমণে খেলে পুরো সময়। আমার মতে, ফেলিক্স ভুল ক্লাবে গেছে এবং ভুল কোচের অধীনে খেলছে।’
‘মোড়লদের’ সিরিজ নিয়ে গাঙ্গুলীকে অপেক্ষায় রাখছে বাকি দুই মোড়ল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ক্রিকেটের এক সময়ের ‘তিন মোড়ল’ ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি আরেকটি শীর্ষ পর্যায়ের দলকে নিয়ে সুপার সিরিজের প্রস্তাব করেছিলেন গাঙ্গুলী। কিন্তু ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড এখনো তাতে সম্মতি দেয়নি। শুধু ক্রিকেটের হাতেগোনা ধনী কয়েকটি দেশ নিয়ে সিরিজটার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে কেউ এর সমালোচনা করেছেন। আবার কেউ প্রশংসা করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলীর সৃষ্টিশীল ভাবনার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতির দায়িত্বে বসার কয়েক দিনের মধ্যেই গাঙ্গুলী প্রস্তাব করেছিলেন, ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের পাশাপাশি ক্রিকেটের আরেকটি শীর্ষ দেশকে নিয়ে চার জাতির ‘সুপার সিরিজ’ হবে ২০২১ সাল থেকে। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সিরিজটার ভাগ্য এখনো সুতোয় ঝুলছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড এখনো এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি ভারতকে। পুরো প্রক্রিয়ার ব্যাপারে জানেন—বিসিসিআইয়ের এমন একজন কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএসকে বলেছেন, ‘চার জাতির সিরিজের ব্যাপারটা ভাবছি আমরা। আমাদের বোর্ড কর্মকর্তারা গত ডিসেম্বরে ইসিবির (ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড) সঙ্গে বসেছেন। জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া যখন এখানে এসেছে, তখন বসেছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড) কর্মকর্তাদের সঙ্গে। কিন্তু এখনো কিছু ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছানো যায়নি, পরের ধাপে যাওয়ার আগে কিছু ব্যাপার নিয়ে এখনো আরও বোঝা শোনার দরকার আছে। আমাদের হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে।’ গত ডিসেম্বরে বৈঠকের পর ইসিবি এক বিবৃতিতে লিখেছিল, ‘ক্রিকেটের বা ক্রিকেটে আরও উন্নতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার জন্য আমরা নিয়মিতই ক্রিকেটের বড় দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করি। ডিসেম্বরে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে চার জাতির সিরিজের প্রসঙ্গ এসেছে। ধারণাটা নিয়ে এগোনো যায় কি না, এ নিয়ে আইসিসির অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার জন্যও আমরা প্রস্তুত।’ আর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কেভিন রবার্টস গত মাসে এক সাক্ষাৎকারে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন গাঙ্গুলীকে, ‘সৌরভ গাঙ্গুলী সভাপতি পদে আসার পর থেকে বিসিসিআইয়ের দিক থেকে যত উদ্ভাবনী ভাবনা এসেছে, আমার চোখে এটা (চার জাতি সিরিজের ভাবনা) তার একটি। তাঁর দায়িত্বের অল্প কয়েক মাসেই আমরা দেখেছি ভারত কলকাতায় একটা দিবারাত্রির টেস্ট আয়োজন করেছে, সেখানে দারুণ ফলও পেয়েছে। এখন এসেছে সুপার সিরিজের ভাবনা, যেটা কিনা আরেকটি দারুণ উদ্ভাবন।’ অস্ট্রেলিয়া কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার অবশ্য সূচিজটের কথা ভেবে সিরিজটার বিরোধিতা করেছেন। সিরিজটা হতে গেলে আরেকটা বাধাও আছে। শুধু ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে সম্মতি এলেই তো হবে না, আইসিসির অনুমতিও লাগবে। ২০২১ সাল থেকে সিরিজটা শুরুর চিন্তাভাবনা থাকলেও আইসিসির প্রস্তাবিত সফরসূচিতে (এফটিপি) তো আর সিরিজটা রাখা নেই। আট বছরের জন্য আইসিসির পরের সফরসূচি শুরু হবে ২০২৩ সাল থেকে (২০২৩-৩১), সেখানে নিজেদের আয়োজনে একটা বিশেষ টুর্নামেন্ট রাখার ইচ্ছা আইসিসির, যে প্রস্তাবে আবার বিসিসিআই রাজি নয়।
সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের জন্য প্রস্তুত হলেন লিটন
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ তামিম ইকবালের ৩৩৪ রানের ইনিংসকে ব্যর্থ হতে দেয়নি তাঁর দল। ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল ইনিংস ও ৯ রানে হারিয়ে দিয়েছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলকে। মিরপুরের ম্যাচে ইতিবাচক ফল এলেও চট্টগ্রামে ড্র মেনে নিতে হয়েছে বিসিবির দুই দলকে। উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের ম্যাচটিতে শেষ দিনের উইকেটেও রাজত্ব করতে পারেননি আবদুর রাজ্জাক ও তাঁর সঙ্গের স্পিনাররা; বরং দারুণ এক ইনিংসে পাকিস্তান সফরের জন্য নিজেকে প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছেন লিটন দাস।
উত্তরাঞ্চলের লক্ষ্য ছিল ৪৫৪ রান। গতকাল বিনা উইকেটে ২২ রান করলেও শেষ দিনের উইকেটে ৪৩২ রান তোলা প্রায় অসম্ভব। লিটনরা সে চেষ্টাতে যাননি। দুই ওপেনার ৭২ রানের মধ্যে ফেরার পর জুনায়েদ সিদ্দিককে নিয়ে শফিউল, আল-আমিন হোসেন ও আবদুর রাজ্জাকদের নিয়ে গড়া বোলিংকে হতাশ করেছেন লিটন। ১২৫ রানের জুটি গড়ে জুনায়েদ (৬১) ফিরে গেলেও হাল ছাড়েননি তিনি। নাঈম ইসলামকে নিয়ে গড়েছেন আরেকটি বড় জুটি। ৭৯ রানের জুটি গড়ে অবশ্য নাঈমও বিদায় নেন শেষ বিকেলে। অবশ্য অধিনায়কের বিদায়ের আগেই ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১৬৫ বলে সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন লিটন। উত্তরাঞ্চল ৪ উইকেটে ২৭৮ তোলার পর ম্যাচ ড্র মেনে নিয়েছে দুই দল। ১০৩ রানে অপরাজিত ছিলেন লিটন। প্রথম ইনিংসে ওপেনিংয়ে নেমে শূন্য পাওয়া লিটনকে পাকিস্তানের বিপক্ষে লেট মিডল অর্ডারে নামাতে চান জাতীয় দলের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। আজ চারে নেমে লিটনের পাওয়া সেঞ্চুরি ডমিঙ্গোর আস্থা বাড়িয়ে দেবে নির্ঘাত। লিটনের সঙ্গে বিসিএলে দলের অন্যান্য খেলোয়াড়দের ফর্মও আশা দেখাবে কোচকে। ঢাকায় তামিমের পর চতুর্থ দিনে মিঠুন ও নাঈম আজ আলো ছড়িয়েছেন। ৩৪২ রানে পিছিয়ে থাকা মধ্যাঞ্চল আজ দিন শুরু করেছিল ১১৫ রানে। হাতে ৭ উইকেট নিয়ে দিন পার করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। কিন্তু নাঈম হাসান সেটা হতে দিলে তো। ৮৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন এই অফ স্পিনার। প্রথম দুই স্পেলে মাত্র ৩ উইকেট হারানো মধ্যাঞ্চলকে চা-বিরতির শেষ করে দিয়েছেন নাঈম। ৩৮ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়েছে মধ্যাঞ্চল। এর মাঝে ৪ উইকেটই নাঈমের। আর শুভাগত হোমকে আউট করেছেন তাইজুল ইসলাম। নাইমের ম্যাচ জেতানো স্পেলের আগে মোহাম্মদ মিঠুন ও তাইবুর রহমান মিলে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। ১১৩ রানের জুটি গড়ার পর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন তাইবুর। চা বিরতির আগে নাইমের শিকার হয়েছেন মিঠুন (৮৩)। ২৯৫ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানো মধ্যাঞ্চল বিরতির পর আর ৩৮ রানই শুধু যোগ করতে পেরেছে।
‘দলে ফিরতে মোস্তাফিজের বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনতে হবে’
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ জাতীয় দলে অভিষেকের পর রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। শুরুর সেই মোস্তাফিজকে এখন আর দেখা যাচ্ছে না। প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে ব্যর্থ কাটার মাস্টার খ্যাত এ পেসার। দলে ফিরতে বোলিংয়ে বেশকিছু কাজ করতে হবে বললেন প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো। পাকিস্তান সফরের ঠিক আগের দিন সোমবার মিরপুর শেরেবাংলায় টাইগারদের কোচ বলেন, টেস্টে মোস্তাফিজকে আরও বেশকিছু কাজ করতে হবে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে মোস্তাফিজ এখনও আমাদের এক নাম্বার বোলার। তার অভিজ্ঞতাও প্রচুর। স্কিলেও ঘাটতি নেই। তাছাড়া চাপের মধ্যে সে ভালো পারফর্ম করে। তিনি আরও বলেন, নতুন বল হোক, কিংবা ডেথ ওভার যেখানেই বোলিং করানো হোক না কেন, মোস্তাফিজের ফর্ম ওঠা-নামা করতেই পারে। কারণ কাজটা কঠিন। আমার পুরো বিশ্বাস আছে, মোস্তাফিজ ঠিক ফর্ম ফিরে পাবে এবং খুব ভালোভাবেই ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে আসবে। টেস্ট দলে ফিরতে হলে মোস্তাফিজকে আরও সিরিয়াস হতে হবে জানিয়ে কোচ বলেন, টেস্ট দলে জায়গা পেতে হলে মোস্তাফিজকে আরও সিরিয়াস হতে হবে। বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনতে তাকে টেকনিক্যাল বিষয়ে আরও কাজ করতে হবে। জাতীয় দলের নতুন পেস বোলিং কোচ মোস্তাফিজকে নিয়ে কাজ করবেন জানিয়ে ডোমিঙ্গো বলেন, ওটিস গিবসন মোস্তাফিজকে নিয়ে কাজ করবেন। বিশেষ করে ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে কোন্ জায়গায় কিভাবে বল করতে হবে মোস্তাফিজকে তা রপ্ত করতে হবে।





