মহেশপুরে গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, ধরছে না পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ ॥ ঝিনাইদহের মহেশপুরে গৃহবধূ রিতু হত্যার তিন মাস পার হলেও অন্ধকারে রয়েছে পুলিশ। এ হত্যাকান্ডের সাথে তার স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন জড়িত থাকলেও মামলার কোনো আসামি ধরা পড়েনি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে ঝিনাইদহ সিআইডি পুলিশ।
জানা গেছে, মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ডাকাতিয়া গ্রামের কিশোরী বধূ রিতুর গলিত লাশ গত বছরের ৬ নভেম্বর উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের বাবা আব্দুস সবুর গত ৮ই নভেম্বর মহেশপুর থানায় রিতুর স্বামী সাগরসহ ৪ জন ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ এ পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি। এ অবস্থায় মামলাটি গত ডিসেম্বর মাসে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এস.আই নজরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে বাদীর অভিযোগ আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। সিআইডি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। চোখের সামনে আসামিরা ঘুরে বেড়ানোয় নিহতের বাবা আব্দুস সবুর হতাশ হয়ে পড়েছেন।
গ্রামবাসী জানায়, উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের আব্দুস সবুরের মেয়ে রিতু খাতুন (১৭) গুড়দাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সময় একই উপজেলার পদ্মরাজপুর গ্রামের মৃত মোমিন তরফদারের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাগরের সাথে বিয়ে হয়। প্রেম করে বিয়ে করায় সাগরের পরিবার রিতুকে মেনে নিতে পারেনি। এ নিয়ে বহুবার সালিশ বৈঠক হয়। বাবার বাড়িতে আসলে রিতুকে সাগর নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। গত ৬ই নভেম্বর ডাকাতিয়া গ্রামের লিচু বাগান থেকে রিতুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ভাগ