বাংলাদেশ এবং ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বে বিরল: ওবায়দুল কাদের

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বে বিরল। দুই দেশের ছিটমহল বিনিময় থেকেই তা দেখা যায়। এত শান্তিপূর্ণভাবে এই ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে, যা বিশাল এক অর্জন। বিশ্বে বিরল নজির। তিনি বৃহস্পতিবার রাজধানীর রেডিসন হোটেলে আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে ভারতের আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়ক উন্নয়নে এক চুক্তি স্বার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে ভারতের আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়ক উন্নয়নে দুই দেশের অংশীদারদের মধ্যে আজ ত্রিপীয় একটি চুক্তি স্বারিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৪৪ কোটি টাকা ও দ্বিতীয় ধাপের জন্য ৫৫ কোটি টাকাসহ ৯৯ কোটি টাকা প্রকল্প কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে।
মহাসড়কটির নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের এফকন ইনফ্রাস্ট্রাকচার্স লিমিটেড, বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং অর্থ ঋণ দেওয়া প্রতিষ্ঠান এক্সিম ব্যাংকের ভারত শাখার মধ্যে এই ত্রিপীয় চুক্তি স্বারিত হয়। বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশের উপস্থিতিতে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা চুক্তিপত্রে সই করেন। উভয় দেশের মধ্যে আরও কিছু সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে। সমস্যার সমাধানে আমরা দুই পই কাজ করছি। তিনি বলেন, দু’দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া খুব ভালো। এতে সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হয়। আজ যে কাজের চুক্তি হলো তার মাধ্যমে আমাদের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, দুইটি ধাপের কাজের উদ্বোধন হয়েছে। যারা এই কাজটি করছে তাদের বেশ সুনাম রয়েছে। আশা করি, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গুণগতমান ঠিক রেখে কাজটি সম্পন্ন করবেন। এ সময় রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ‘ভারতের বহির্বিশ্বের সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমের সর্বাধিক বাংলাদেশের সঙ্গে। প্রায় ৪৬টি প্রকল্প আমরা দু’দেশ মিলে বাস্তবায়ন করছি। এর মধ্যে সর্বাধিক প্রকল্প আছে রেলওয়ে নিয়ে।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের ল্য ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হওয়ার। ভারত প্রতিবেশী এবং বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের এই ল্য অর্জনে সবসময় পাশে থাকবে। এই সড়ক নির্মাণ চুক্তি সই পাশে থাকারই এক নজির। অনুষ্ঠানে উভয় দেশের সরকারি-বেসরকারি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খবর : বাসস

ভাগ