চুয়াডাঙ্গায় চালকল মালিকদের কাছ থেকে : ২২০১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হবে

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা ॥ চুয়াডাঙ্গা জেলার চারটি উপজেলার চালকল মালিকদের কাছ থেকে ২ হাজার ২০১ মেট্রিকটন আমন চাল সংগ্রহ করা হবে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সদর খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গনে চাল সংগ্রহ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। আমন চাল সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলী হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়া ইয়াহ্ খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কানাই লাল সরকার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা কৃষক প্রতিনিধি মাসুদুজ্জামান লিটু এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষক মহিবুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুল খালেক, আলমডাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোফাক্ষারুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা সদর ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, আলমডাঙ্গা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মিয়ারাজ হুসাইন, দর্শনা ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, জীবননগর ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ ও সরোজগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মোল্লা আহমদ জামান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, কোন প্রকার খারাপ চাল, চালকল মালিকদের কাছ থেকে কেনা হবে না। এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৫৮ জন চালকল মালিকের কাছ থেকে ৪০৩, আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪৭ জন চালকল মালিকের কাছ থেকে ৫১৭, দামুড়হুদা উপজেলার ২৮ জন চালকল মালিকের কাছ থেকে ৩১১ ও জীবননগর উপজেলার ৫৬ জন চালকল মালিকের কাছ থেকে ৯৭০ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহ করা হবে। প্রতিকেজি ৩৬ টাকা ও প্রতি মেট্রিকটন ৩৬ হাজার টাকা দরে পরিশোধ করা হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ বলেন, জেলার জীবননগর উপজেলায় ৩ টি স্বয়ংক্রিয় চালকল রয়েছে। তাছাড়া সবই হ্যাসকিং চালকল। এ কারণে চালকল প্রতি সর্বনিম্ন ২ থেকে সর্বোচ্চ ২৭০ মেট্রিকটন পর্যন্ত বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক। এগুলো পরিহার না করলে ভালমানের চাল সরবরাহে সমস্যাই পড়তে হবে।

ভাগ