স্টাফ রিপোর্টার ॥ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যুর হার কমানোর জন্য আগামী ১১ জানুয়ারি সারাদেশের ন্যায় যশোর জেলায় পালিত হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ জেলায় ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯শ’ ৪০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর ভেতর ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৬৫ হাজার ৩শ’ ৭০ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও ১২ মাস হতে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৮২ হাজার ৫শ’ ৭০ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। গতকাল সকালে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল সভাকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় সিভিল সার্জন ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য জানান। কর্মশালায় সিভিল সার্জন ডা. দিলীপ কুমার রায় আরও বলেন, শিশুর মায়ের দুধই হচ্ছে সবচেয়ে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার। ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ালে শতকরা ২০ ভাগ শিশুর মৃত্যু হ্রাস পায়। এ কারণে শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমত ঘরে তৈরি সুষম, খাবার খাওয়ানো ও সুস্থ সবল শিশু গড়ে তোলার জন্য তিনি সকল অভিভাবককে পরামর্শ দেন। আগামী ১১ জানুয়ারি সকাল ৮টায় যশোর উপশহর খাজুরা বাসস্ট্যান্ডে শিশু হাসপাতালে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হবে।
ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হারুণ-অর-রশিদ, সিভিল সার্জন অফিসের এমও সিএইচ (রোগ নিয়ন্ত্রক) ডা. মো. মাশহুরুল হক প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন। সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন ও জেলা স্যানিটারি কর্মকর্তা শিশির কান্তি পাল কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন। এবারের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে যশোরে ১ হাজার ৮ জন সরকারিভাবে স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪ হাজার ১শ’ ২৫ জন বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবক শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবেন। শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়াতে মোট ২ হাজার ২শ’ ৮৮টি টিকাদান কেন্দ্র করা হয়েছে। এর ভেতর ৯টি স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র, ১১টি অতিরিক্ত কেন্দ্র ও ২ হাজার ২শ’ ৬৮ আউট রীট সেন্টার করা হয়েছে।





