আন্তর্জাতিক সংবাদ

0

ভয়াবহ দাবানলে অস্ট্রেলিয়ার আকাশ রক্তবর্ণ, নিহত ৩
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এ ছাড়া চারজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। আগুনের কারণে দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও কর্তৃপ এখনো পর্যন্ত মৃত্যুর সর্বমোট কোনও পরিসংখ্যান দেয়নি। অস্ট্রেলিয়া জুড়ে দাবানল থামার তো কোনও লণই নেই, বরং প্রতিদিন বাড়ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সেখানকার ছবিতে দেখা যায়, আগুনের তাপে দেশটির আকাশ রক্তবর্ণ ধারণ করেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসে শত শত মানুষ গৃহহীন হয়ে ও আগুনের তাপ থেকে বাঁচতে সমুদ্রের ধারে আশ্রয় নিয়েছেন। ঘর বাড়ি সব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে৷ স্থানীয়রা বলেন, লাল হয়ে ওঠার আকাশের নিচে নৌকায় বা উপকূলে তাঁবু বানিয়ে বসবাসের অভিজ্ঞতা ভয়ানক।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমে মুসলিমদের ‘ভিন্নভাবে’ দেখা হয়
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ব্রিটিশ পত্রিকায় ইসলাম ও মুসলিমদের নিয়ে খবর প্রকাশে ভিন্নভাবে দেখা হয়। যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম নিয়ে এই পর্যবেণ প্রকাশ করেন দেশটির সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, ব্রিটিশ পত্রিকায় গত পাঁচ বছরে ইসলাম ও মুসলিমদের নিয়ে খবর প্রকাশকে ‘সবচেয়ে জটিল ইস্যু’ হিসেবে অবহিত করেছেন ইন্ডিপেনডেন্ট প্রেস স্টান্ডার্ড অর্গানাইজেশনের (ইপসো) সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান স্যার অ্যালান মোজেস। যুক্তরাজ্যজুড়ে সংবাদ পত্রিকা ও ম্যাগাজিন জগতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করে ইপসো। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটির প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান দেশটির সাবেক বিচারক অ্যালান। তিনি বলেন, ‘আমার নিজস্ব ধারণা পত্রিকাগুলোতে মুসলিমদের নিয়ে সময়ে সময়ে এমনভাবে লেখা হয়, আমার মনে হয় না ইহুদি বা রোমান ক্যাথলিকদের নিয়ে এভাবে লেখাটা সহজ হতো।’ যুক্তরাজ্যের মাত্র পাঁচ শতাংশ সংখ্যালঘু মুসলিমদের নিয়ে লেখার সময় সাংবাদিকদের জন্য ইপসোর নির্দেশিকা প্রকাশের দুই মাস আগে এমন মন্তব্য করলেন তিনি। যুক্তরাজ্যে সম্প্রতি সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া ইসলাম-ভীতি এবং এ নিয়ে ব্রিটিশ পত্রিকার ভূমিকা নিয়ে গত বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির শুনানিতে এই নির্দেশিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়। কমিটির শুনানিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ পার্টির কো-চেয়ার সাইয়েদা ওয়ারসি বলেন, ‘প্রথম পৃষ্ঠায় মুসলিম বিদ্বেষী বিষয় থাকলে পত্রিকার কাটতি বাড়ে। এটি নতুন কিছু নয়, খবরের এমন শিরোনাম ৩০ এর দশকে ইহুদি সম্প্রদায় নিয়ে করা হতো।’

ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ‘হামলা’ বিােভকারীদের
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে কয়েক হাজার বিােভকারী হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। রবিবার মার্কিন হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর দুই ডজনের বেশি যোদ্ধা নিহতের ঘটনায় ুব্ধ বিােভকারীরা মঙ্গলবার এ হামলা চালায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাগদাদের হাই সিকিউরিটি গ্রিন জোন এলাকার তল্লাশি চৌকি দিয়ে মিছিল নিয়ে দূতাবাসের দিকে এগিয়ে যায় বিােভকারীরা। সাধারণত, এসব তল্লাশি চৌকি দিয়ে যাতায়াতে কড়াকড়ি থাকে।এ সময় বিােভকারীদের ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’ স্লোগান দিয়ে মার্কিন পতাকা পোড়াতে দেখা যায়। দূতাবাস বন্ধ করার দাবি সম্বলিত পোস্টারও দেখা যায় তাদের হাতে। দূতাবাস অভিমুখে বিােভ মিছিল নিয়ে আসার আগে ইরান সমর্থিত কাতায়েব হেজবুল্লাহ মিলিশিয়ার ২৫ যোদ্ধার জানাজা পড়ে তারা। তারা দেয়াল থেকে নিরাপত্তা ক্যামেরা সরিয়ে ফেলে। এ সময় ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। সাংবাদিকরা জানান, বিােভকারীরা ‘যুক্তরাষ্ট্রের পতন হোক’ স্লোগান দিতে দিতে দূতাবাস ভবনে হামলে পড়ার চেষ্টা করে। দূতাবাসের বাইরের নিরাপত্তা ক্যামেরা ভাঙচুর এবং পানির বোতল নিপে শুরু হলে নিরাপত্তারীদের ভবনের ভেতরের দিকে চলে যেতে দেখা যায়। এ সময় বিােভকারীরা ইরান সমর্থিত কাতায়েব হেজবুল্লাহ মিলিশিয়ার হলুদ পতাকা দূতাবাসের দেয়ালে ঝুলিয়ে দেয়। আলজাজিরা জানায়, বিােভের কারণে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দূতাবাস থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।