মাটিময় পাকা সড়ক কুয়াশায় কর্দমাক্ত, চলাচলে ঝুঁকি

মুকুরুল ইসলাম মিন্টু চৌগাছা (যশোর) ॥ শুক্রবার রাতে ঘন কুয়াশার কারণে নাজেহাল হতে হয় চৌগাছার মানুষকে। সারারাত বৃষ্টির মত ঘন কুয়াশায় পাকা সড়কে পড়ে থাকা মাটি কাদায় পরিণত হয়। এই সব সড়কে পথচারীসহ যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। সড়কে ছোটখাটো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেলেও কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কুয়াশায় যখন পাকা সড়কে কাদা, তাহলে বৃষ্টিতে কী হবে, প্রপ্ন সৃষ্টি হয় সাধারণ মানুষের মাঝে।
শুক্রবার সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে চৌগাছার আকাশ কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে। রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে কুয়াশার ঘনত্ব। সারা রাত বৃষ্টির মতই পড়তে থাকে কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে সব ধরনের যানবাহন পরের দিন বেলা ১১ টার পরও হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিলো যে, ১০ হাত সামনে কী আছে সেটিও দেখা দুরুহ ব্যাপার হয়ে উঠে। ঘন কুয়াশায় পাকা সড়ক কর্দময় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে উপজেলার প্রধান সড়কের পাশে নির্মানাধীন ভবনে নিয়ে আসা মাটি এবং ইটভাটার মাটি পাকা সড়কে পড়ে ওই সকল স্থান চলাচলের জন্য হয়ে ওঠে চরম ঝুঁকিপূর্ণ। শুক্রবার ভোরে যশোর-চৌগাছা যশোর সড়কে ডিভাইন সেন্টারের পাশে ঘটে দুর্ঘটনা। এক মোটরসাইকেল আরোহী সড়কের পিচ্ছিল কাদায় আছড়ে পড়েন। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের কিছুটা ক্ষতি হলেও অক্ষত থাকেন আরোহী রাজু আহমেদ।
চৌগাছার প্রধান প্রধান সড়কসহ গ্রামাঞ্চলের পাকা সড়কগুলোর পরিস্থিতি একই ধরনের ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, উপজেলার ইট ভাটাগুলো প্রতিযোগিতা দিয়ে ভাটায় মাটি জড়ো করছে। এতে করে সড়কগুলোতে মাটি পড়ে পাকা সড়ক পাকা না মাটির তৈরি বোঝা মুশকিল। শুধু তাই না, মেইন সড়কের পাশে অনেকে আবাসিক ভবন বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণে মাটি নিয়ে সড়কের ধারে ফেলে রেখেছেন। ওই সব মাটি পাকা সড়কে পড়ে থাকায় সামান্য কুয়াশায় সৃষ্টি হয়েছে কাদা। হঠাৎ করে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি শুরু হলে প্রতিটি সড়কই যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচলের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে এমনটিই মনে করছেন অনেকে।