রামপালে যুবলীগ নেতার অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে একাট্রা এলাকাবাসী

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা॥ রামপালের পেড়িখালী দাখিল মাদ্রসার নতুন ভবন নির্মাণে যুবলীগ নেতার অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পেড়িখালী দাখিল মাদ্রাসার সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রামপাল উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হোসনেয়ারা মিলি, পেড়িখালী পিইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সংকর কুমার সিকদার, পেড়িখালী দাখিল মাদ্রাসার সুপার বোরহান উদ্দিন শেখ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকরামুল কবির কচি, বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজ বাবু, শিক্ষিকা শামীম আরা শিপ্রা, মোজাফফর হোসেন, আবুল কালাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালে পেড়িখালী দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পর একটি মাত্র টিনসেডে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে। জরাজীর্ণ এই ভবনে পাঠদানের চরম ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা। বহু চেষ্টা করে বিগত ২৪ বছর পরে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। যার ঠিকাদার ঝর্ণা এন্টারপ্রাইজ। ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোংলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন। ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু করেন। যার মেয়াদকাল শেষ হয় আরও ৬ মাস পূর্বে। ওই প্রতিষ্ঠানের মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট জেলার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল ইকবাল হোসেনের সাথে দুর্ব্যবহার করেন বলে বক্তারা অভিযোগ করেন। তারা আরও জানান, নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যে কিছু মালামাল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে চম্পট দেন ওই ঠিকাদার। এ বিষয়ে ঠিকাদার ইকবাল হোসেন এর সাথে তার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার নই। মূল ঠিকাদার আসলাম শেখ। তিনি ও ওই নির্মাণ কাজটি অন্যত্র হস্তান্তর করেছেন। শুধু শুধু চেয়ারম্যান আমাকে দোষারোপ করছেন। এ বিষয়ে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি’র দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন উন্নয়নের প্রশ্নে কোন আপোষ নেই। কেউ অনিয়ম করলে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।