নিহত শিক্ষার্থী ইমুর বাড়িতে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

 

খাজুরা (যশোর) সংবাদদাতা॥ যশোরের খাজুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইমু হায়দার (২০) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিন সকালে খাজুরা-বাঘারপাড়া সড়কের দর্গাহপুর আমতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইমু হায়দার সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের তেজরোল গ্রামের আলী হায়দারের ছেলে এবং খাজুরা সরকারি শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন মহাবিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, রোববার বেলা ১১টার দিকে বাঘারপাড়ামুখী একটি সিএনজির সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত নছিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইমু গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। নিহত ওই পরীক্ষার্থীর পরিবার জানায়, খাজুরা বাজার তেলপাম্প থেকে একটি সিএনজি ভাড়া করে ইমুসহ তার সহপাঠীরা পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে দুর্ঘটনার শিকার হয় সিএনজিটি। গুরুতর আহত যশোরে চিকিৎসা চলাকালে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যার পরে ইমুকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। পথিমধ্যে রাত ৯টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই তিনি মারা যান। ইমুর পিতা রাজনৈতিক মামলায় ২ বছরের সাজায় জেলে থাকায় ছেলেকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন নি। খবর পেয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সোমবার বেলা ১১টা দিকে তার বাড়িতে আসেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক খোকন, লেবুতলা ইউনিয়ন সভাপতি মোস্তফা মনোয়ারুল ইসলাম হ্যাপী, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দেলু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, বিএনপি নেতা দাউদ হোসেন, আব্দুস রাজ্জাক, সাবেক ইউপি সদস্য হাসান আলী প্রমুখ। আসর বাদ জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে ইমুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।