১০ লাখ টাকার পতাকা বিক্রি করেছেন হবিগঞ্জের জিয়াউর

বাগেরহাট সংবাদদাতা ॥ ফুটবল বিশ্বকাপ মানে সারাবিশ্ব জুড়ে ক্রিড়ামোদীদের উন্মাদনা। কাতার বিশ্বকাপ উপলক্ষে এই উন্মাদনা ছড়িয়েছে সারা পৃথিবীতে। প্রিয় দলের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করতে দলীয় জার্সি ও সংশ্লিষ্ট দেশের পতাকার জুড়ি নেই। এই কারণে বিশ্বকাপ মৌসুমে সারা দেশে প্রচুর পতাকা বিক্রি হচ্ছে। গেল ৩৪ দিনে ১০ লাখ টাকার পতাকা বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান। আগামী সাত দিনের মধ্যে আরও ৫ লাখ টাকার পতাকা বিক্রির আশা রয়েছে তার। মধ্য বয়সী জিয়াউর রহমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা। বিভিন্ন উৎসব ও দিবসে পতাকা বিক্রি করাই তার একমাত্র পেশা। রোববার বিকেলে বাগেরহাট শহরের রেলরোড এলাকায় কথা হয় পতাকা বিক্রেতা জিয়াউর রহমানের সাথে। এবারের বিশ্বকাপে অনেক বেশি বিক্রির পাশাপাশি লাভও ভাল হয়েছে দাবি করে জিয়াউর রহমান বলেন, পতাকা বিক্রিই আমার একমাত্র পেশা। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৩৪ দিন ধরে পতাকা বিক্রি করছি। আমার আরও তিনজন সহযোগী রয়েছে। আজ পর্যন্ত ১০ লাখ টাকার পতাকা বিক্রি করেছি। সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নরসিন্দি, ঢাকা, কুষ্টিয়া, যশোরসহ বিভিন্ন জেলায় পতাকা বিক্রি করেছি। ইতোমধ্যে আট লাখ টাকার পতাকা আমরা বিক্রি করেছি। আমার কাছে এখনও ৫ লাখ টাকার পতাকা রয়েছে। বর্তমানে বাগেরহাটে আছি, আশাকরি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগে আমার পতাকা বিক্রি শেষ হয়ে যাবে। এবার বেচাকেনা অনেক ভাল। জিয়াউর রহমান আরও বলেন, শুধু আমি নই, বিশ্বকাপ উপলক্ষে এরকম আরও অনেকে আছেন যারা পতাকা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এর আগে ৩টা বিশ্বকাপে আমি পতাকা বিক্রি করেছি। যত উৎসব, দিবস আর বিভিন্ন আয়োজন রয়েছে তার মধ্যে বিশ্বকাপের সময় সব থেকে বেশি পতাকা বিক্রি হয়। সবার প্রিয় দল ভাল খেলুক সেই প্রত্যাশা করি। পতাকার দাম সম্পর্কে জিয়াউর রহমান বলেন, আমরা মূলত বাংলাদেশি পতাকাসহ বিশ্বকাপে যে ৩২টি দল অংশ নিয়েছে সবার পতাকা বিক্রি করি।