খুলনায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক রাজিব ইসমাইল দু’দিনের রিমান্ডে

 

খুলনা ব্যুরো ।। ডাকাতির প্রস্তুতকালে দিঘলিয়া থানা পুলিশের কাছে আটক হত্যা, অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামী রাজিব হোসেন ও সহযোগী ইসমাইল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট-২ এর বিচারক ইশরাত জাহান এ আদেশ দেন।এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের দিঘলিয়ার থানার (জি আর ও) মো. ইসমাইল হোসেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ৫দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার শুনানী শেষে ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। বুধবার বিকেলেই রাজিব হোসেন, ও সহযোগী ইসমাইল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়।
গত ২৫ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দেয়াড়া এলাকার কলোনির রিনা বেগমের বাড়ি থেকে ডাকাতি প্রস্তুতকালে খুলনাসহ বিভিন থানায় হত্যা, অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামী নগরীর খানজাহান আলী থানার যোগীপোল গ্রামের সুলতান সরদারের ছেলে রাজিব হোসেন (২৭) ও সহযোগী দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটী গ্রামের রেজার মোড়ের শামসুল আলমের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৪)কে ডাকাতি প্রস্তুতকালে দিঘলিয়া থানা পুলিশ আটক করে। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি সেলাই রেঞ্জ, একটি হাতুড়ি, একটি টেস্টার, একটি রামদা, একটি বড় ছুরি ও গুলি রাখার ব্যাগসহ উদ্বার করে পুলিশ। এ সময় সেখানে অবস্থানরত ডাকাত দলের ৪/৫জন সদস্য পুলিশের খবর পেয়ে পালিয়ে য়ায়। আটক ইসমাইল হোসেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে তার হেফাজতে আরো একটি অস্ত্র আছে। আসামি ইসমাইলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ২৬ জুলাই সেনহাটি মদিনা মসজিদ এলাকার মানিক ফকিরের বাড়ি থেকে খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(এ- সার্কেল) রাজু আহমেদ, দিঘলিয়া থানা অফিসার্স ইনচার্জ আহসান উল্লাহ চেীধরী, ওসি তদন্ত রিপন কুমার সরকার,এস আই সাহাবুদ্দিন অভিযান চালিয়ে ভোর রাতে একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্বার করে । গত ২৬ জুলাই আসামি রাজিব হোসেন, ও সহযোগী ইসমাইল হোসেনকে আদালতে প্রেরণ করে। গ্রেফতার দুজনকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। ডাকাতির প্রস্তুত ও অস্ত্র উদ্বারের ঘটনায় থানায় পৃথক ২টি মামলা হয়ে।
দিঘলিয়া থানা অফিসার্স ইনচার্জ আহসান উল্লাহ চেীধরী বলেন, আসামি রাজিব হোসেন ও সহযোগী ইসমাইল হোসেনকে ডাকাতির প্রস্তুতকালে আটকের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে থানায় আনা হয়েছে।

 

Lab Scan
ভাগ