যশোর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ!

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, অপর আইনজীবী এস কে মমিনুল ইসলাম আমিনুল। তিনি লিখিত ভাবে বিষয় টি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জানিয়েছেন। সমিতির প্রধান অফিস সহকারী মোঃ নুরুল ইসলাম ওই লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গেল রমজান মাসের শেষের দিকে রাত সাড়ে ৮টায় সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী ফরিদুল ইসলাম শহরতলী পুলেরহাট এলাকার একটি নির্জন স্থানে নারীর সাথে অনৈতিক কার্যকলাপের সময় স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়েন। এ সময় তিনি তাদের কিছু নগদ টাকা দিয়ে এবং পরবর্তীতে আরও কিছু দেবেন বলে সুকৌশলে চলে আসেন। কাজী ফরিদুল ইসলামের ওয়াদা অনুযায়ী তারা চেম্বারে টাকা নিতে এলে তিনি সুকৌশলে তাদেরকে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে অপ্রচার করেন এবং সাজানো পাতানো বিষয়টি নিয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে তিনি সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে নিয়ে পুুলিশ সুপারের কাছে যান। পরে আসামীরা আটক হলে, আদালতে দেওয়া তাদের জবানবন্দিতে আসল ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। তারা আদালতে কাজী ফরিদুল ইসলামের নারী ঘটিত বিষয়টি তুলে ধরেন। যা যশোর বারের সকল আইনজীবী ও পুলিশ সুপার অবগত হন। তার এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় যশোর বারের সম্মানসহ আইনজীবীদের পেশাগত মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে এমনটি মনে করেন অভিযোগকারী আইনজীবী এস কে মোমিনুল ইসলাম আমিনুল। তার মতে কাজী ফরিদুল ইসলাম এমন ঘৃণ্য কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ১ নম্বর বিধি সুস্পষ্ট লংঘন করে প্রফেশনাল মিস কন্ডাক্ট করেছেন। তিনি বলেন, ফরিদপুর ইসলাম এর আগেও গাইদগাছী গ্রামে নিজের বোনের বাড়িতে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা আইনজীবী সমিতিকে ব্যবহার করেন। এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ সমিতিকে ব্যবহার করে অনেককে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা আদায় করেছেন। কাজী ফরিদুল ইসলামের এমন কর্মকান্ডের বিচার দাবি করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যশোর বারের একাধিক আইনজীবী বিষয়টি নিশ্চিক করে কাজী ফরিদুল ইসলামের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শরীফ নূর মোঃ আলী রেজা বলেন, এখনো ঘটনা তদন্ত করা হয়নি। সামনে মিটিং আছে। সেখানে তোলা ওঠানো হবে। তার পর সিধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কাজী ফরিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মনগড়া এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিষয়টি অনেক আগেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। মামলার আসামিরা আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে গেছে।

 

Lab Scan
ভাগ