জামে উপকার ভরপুর

লোকসমাজ ডেস্ক॥ জামের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। ভিটামিন এবং খনিজ উপাদানে ভরপুর এই ফলে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। এর পুষ্টিমূল্য অনেক বেশি।
জাম খাওয়ার অবিশ্বাস্য ৬ উপকারিতা তুলে ধরা হল-
হিমোগ্লোবিনের উন্নতি ঘটায়: ভিটামিন সি এবং আয়রনে ভরপুর এই ফল আমাদের দেহে হিমোগ্লোবিনের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ বেড়ে যায় এবং শরীর সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। জামে থাকা আয়রন রক্ত বিশুদ্ধ করে।
মাড়ি মজবুত করে: যাদের মাড়ি থেকে নিয়মিত রক্ত পড়ে যাদের জন্য জাম উপকারী। জামে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাড়ি থেকে রক্ত পড়া প্রতিরোধে সহায়ক। জামের পাতা শুকিয়ে দাঁতের মাজন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর জামে রয়েছে আয়রন এবং ভিটামিন। যা ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এবং চোখ ভালো রাখে। জামে থাকা অ্যাস্ট্রিনজেন উপাদান ত্বকের সুস্থতায় চমৎকার কাজ করে। ব্রণ, বলিরেখা, ফুসকুড়ি থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। এতে থাকা ভিটামিন সি ত্বককে করে কোমল এবং উজ্জ্বল।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: জামে থাকা উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পানিতে ভরপুর এবং ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকায় এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ওজন কমাতে: আঁশসমৃদ্ধ এই ফলে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। এটি খাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে ওজন কমাতে সহায়ক। হজমক্রিয়ার উন্নতি ঘটায় এবং শরীরে পানিশূন্যতা কমাতে সহায়ক।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: ডায়াবেটিস রোগীরা নিশ্চিন্তে জাম খেতে পারেন। জামের বিচিতে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক উপাদান রয়েছে; যা জামবোলানা নামে ডাকা হয়। জামের বিচি ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।সূত্র: এনডিটিভি।

 

Lab Scan
ভাগ