রামপালে বঙ্গবন্ধু ফুটবল খেলা নিয়ে হামলার ঘটনায় মামলা

 

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ রামপালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় হামলা, মারপিট ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ রামপাল থানায় মামলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ৯ জনসহ অজ্ঞাত আট জনকে আসামি করে মামলাটি করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের গাড়িচালক আহত কোহিনুর শেখ (৪০)।
আসামিরা হলেন-আল আমীন, কামরান হোসেন, শেখ শিহাব ওরফে মাতলুব, আবু বকার, মোস্তাফিজুর রহমান, মারুফ হোসেন, সজীব শেখ ও ঝলক।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় অনুর্ধ-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার বিকেলে শ্রীফলতলা মাঠে। খেলাটি নির্দিষ্ট সময়ে গোলশূন্য ড্র হয়। রেফারি ট্রাইব্রেকারে খেলা নিষ্পত্তি করার জন্য বাঁশতলী ইউনিয়ন ও বাইনতলা ইউনিয়নকে আমন্ত্রণ জানান। এ সময়ে বাঁশতলী ইউনিয়নের কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল সমর্থক বাইনতলা ইউনিয়নের খেলোয়াড় ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চড়াও হয়। এতে বাধা দিলে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গাড়িচালক কোহিনুর শেখসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন ফাইনাল খেলাটি স্থগিত করেন। শান্তিপূর্ণ খেলাটি পন্ড হওয়ায় উপস্থিত দর্শকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রামপাল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ রামপালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় হামলা, মারপিট ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ রামপাল থানায় মামলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ৯ জনসহ অজ্ঞাত আট জনকে আসামি করে মামলাটি করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের গাড়িচালক আহত কোহিনুর শেখ (৪০)।
আসামিরা হলেন-আল আমীন, কামরান হোসেন, শেখ শিহাব ওরফে মাতলুব, আবু বকার, মোস্তাফিজুর রহমান, মারুফ হোসেন, সজীব শেখ ও ঝলক।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় অনুর্ধ-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার বিকেলে শ্রীফলতলা মাঠে। খেলাটি নির্দিষ্ট সময়ে গোলশূন্য ড্র হয়। রেফারি ট্রাইব্রেকারে খেলা নিষ্পত্তি করার জন্য বাঁশতলী ইউনিয়ন ও বাইনতলা ইউনিয়নকে আমন্ত্রণ জানান। এ সময়ে বাঁশতলী ইউনিয়নের কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল সমর্থক বাইনতলা ইউনিয়নের খেলোয়াড় ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চড়াও হয়। এতে বাধা দিলে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গাড়িচালক কোহিনুর শেখসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন ফাইনাল খেলাটি স্থগিত করেন। শান্তিপূর্ণ খেলাটি পন্ড হওয়ায় উপস্থিত দর্শকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রামপাল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

Lab Scan
ভাগ