যশোরে জেলি পুশ করা ২ মেট্রিক টন চিংড়ি জব্দ, আড়াই লাখ টাকা অর্থদণ্ড

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর-মাগুরা সড়কের বাহাদুরপুরে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকাগামী ৩টি ট্রাক থেকে জেলি পুশ করা ২ মেট্রিক টন চিংড়ি জব্দের পর ধ্বংস করা হয়েছে। একই সাথে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীদের আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। র‌্যাব-৬ সিপিসি-৩ কর্মকর্তা এবং জেলা মৎস্য পরিদর্শক ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, র‌্যাব-৬ সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্পের কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, জেলি পুশ করা ৩ ট্রাক চিংড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থেকে যশোর-মাগুরা সড়ক হয়ে রাজধানী ঢাকার কাওরান বাজারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ খবর পেয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফট্যানেন্ট কমান্ডার এম নাজিউর রহমান, স্কোয়াড কমান্ডার এইচ এম শফিকুর রহমান এবং জেলা মৎস্য পরিদর্শক ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা লিপ্টন সরদারের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম যশোর-মাগুরা সড়কের বাহাদুরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় সেখান থেকে ঢাকাগামী চিংড়ি বোঝাই উল্লিখিত ৩টি ট্রাক (যশোর-ট-১১-৫২২৬,খুলনা মেট্রো-ট-১১-১৬২৫ ও ঢাকা মেট্রো-ন-২০-৭৯২৪) আটক করা হয়। পরে ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ইনজেকশনের মাধ্যমে জেলি পুশ করা মোট ৬৩টি কর্কসিট ভর্তি চিংড়ি জব্দ করা হয়। যার ওজন ২ মেট্রিক টন এবং বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
সূত্র জানায়, চিংড়িতে ইনজেকশনের মাধ্যমে পুশ করা অস্বাস্থ্যকর জেলি পাওয়ায় অভিযুক্ত ৮ জন ব্যবসায়ীকে আড়াই লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। এর মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুরের সহিতোষকে ১ লাখ টাকা, যশোরে মনিরামপুর উপজেলার কাপালিয়া গ্রামের মো. হুসাইনকে ৩০ হাজার টাকা, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের মুনসুর আলীকে ২০ হাজার টাকা, এশার আলীকে ২০ হাজার টাকা, মো. রানাকে ২০ হাজার টাকা, আমিরুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা, আব্দুর রহমানকে ২০ হাজার টাকা ও শ্যামনগরের বিকাশ আলীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত চিংড়ি মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়।