স্বর্ণ ছিনতাই: মাদকদ্রব্যের কর্মকর্তাসহ ৮ জনের নামে চার্জশিট

লোকসমাজ ডেস্ক॥ রাজধানীর পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে এক ব্যবসায়ীর ৯০ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মুন্সিগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক এস এম সাকিব হোসেনসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মুন্সিগঞ্জ জেলার এএসআই এনামুল হক, সিপাহী আলমগীর হোসেন, আমিনুল ইসলাম, গাড়িচালক ইব্রাহিম শিকদার, তাতীবাজারের জীবন পাল, হারুন মুন্সী ও রতন কুমার সেন।
সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার সাব ইন্সপেক্টর রুবেল মল্লিক। পেনাল কোর্ডের ১৭০/৩৯৫/৪১২ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলার চার্জশিটটি দেখিলাম বলে বিচারের জন্য বদলি আদেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার চার্জশিটভুক্ত সকল আসামি জামিনে রয়েছেন। শনিবার (২৭ নভেম্বর) কোতোয়ালী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের এসআই মাহমুদুর রহমান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। ৯০ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত ১২ জানুয়ারি পুরান ঢাকার জিন্দাবাহার লেনের স্বর্ণ ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান কোতোয়ালি থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কয়েক ব্যক্তি বাদীকে তুলে নিয়ে ৯০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। এ ঘটনায় মামলা করা হলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ প্রথমে ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তির দুই কর্মচারীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সাকিব হোসেনের নাম জানালে সিপাহি আমিনুল ও সোর্স হারুনসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ মামলায় গ্রেফতার আটজনের মধ্যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর পাঁচ আসামি বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে রয়েছে। জানা গেছে, সহকারী পরিচালক সাকিব হোসেন মুন্সিগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তবে মাসখানেক ধরে তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন।

Lab Scan
ভাগ