বাঘারপাড়া পৌরনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে ৪ কাউন্সিলর প্রার্থীর নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে চার মামলা

স্টাফ রিপোর্টার॥ যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভার নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগে বুধবার নির্বাচন ট্রাইবুনালে আলাদা চারটি মামলা হয়েছে। সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী গোলাপী খাতুন, সংরক্ষিত ৩ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জোৎ¯œা হাবিব এবং সাধারণ ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী রবিউল ইসলাম ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সোহেল রানা এই মামলা করেছেন। যুগ্ম জেলা জজ ১ম ও নির্বাচন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসিফ ইকবাল তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে বিবাদীদের প্রতি সমন ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন।
সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী গোলাপী খাতুনের মামলায় সংরক্ষিত আসনের নির্বাচিত প্রার্থী নমিতা শর্মা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী রিটানিং কর্মকর্তা, ৩টি ওয়ার্ডের প্রিজাইডিং অফিসার, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাওয়া খাতুন ও হাসিয়া খাতুনকে বিবাদী করা হয়েছে। সংরক্ষিত ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী জোৎন্সা হাবিবের মামলায় বিবাদী করা হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তসলিমা খাতুন, সীমা খাতুন, জেলা রিটানিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে। ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী রবিউল ইসামের মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফয়সাল হোসেন, জেলা রির্টানিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী সোহেল রানার মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ওলিয়ার রহমান, মো. সাল্টু, জেলা রিটানিং অফিসার, উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা, বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।
আলাদা ওই চার মামলায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বাঘারপাড়া পৌরসভার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন করেন। এ ব্যাপারে বাদীরা প্রত্যেকে অভিযোগ করেছিলেন। এরপর প্রতিদ্বন্দ¦ী প্রার্থীরা বিজয়ী হতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। ভোটের দিন বাদীদের এজেন্টদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়। এমনকি ভোট গণনার সময় তাদের মনোনীত কাউকে কেন্দ্রে থাকতে দেয়া হয়নি। বাদীদের অনেক ভোট বাতিল করা হয়েছে। প্রিজাডিং অফিসার ভোট গণনায় কারচুপি করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযোগ দিলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। তবে ব্যালট পেপার সাঠিক ভাবে যাচাই বাছাই করে পুনঃভোট গণনা করা হলে বাদীরা নির্বাচিত হবেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।