স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী

মাসুদ রানা বাবু ॥ আজ শনিবার অগ্নিঝরা মার্চের ষষ্ঠ দিন। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রতিটি দিনই ছিল অগ্নিঝরা। এই দিনে আন্দোলনরত জনগণের সমর্থনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাধীকার আন্দোলনে যোগ দেন। জাতির উদ্দেশ্যে বেতারে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান। তিনি বাংলাদেশের জনগণকে দুষ্কৃতিকারী আখ্যা দিয়ে ৫ মার্চ গণপরিষদের অধিবেশন ডাকেন। এটি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার কূটকৌশল বুঝতে পেরে গোটা বাঙালি জাতি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শত শত আন্দোলনকারী দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সামরিক বহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সরকার। এদিন পূর্ব পাকিস্তানের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান লে. জে. টিক্কা খান। ৭ মার্চ জনসভাকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে থাকে আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। সামরিক জান্তারা জনসভার প্রস্তুতিতে ভীত হয়ে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র প্রস্তুত করতে তাকে। এদিন, আওয়ামী লীগের নেতারা এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বেতারে সরাসরি প্রচারের দাবি জানান। পরদিন ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় ভাষণ দেন।