চৌগাছায় ধান ক্ষেতে মাজরা পোকার আক্রমণ খোঁজ নিচ্ছেন না কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা

এম. এ. রহিম, চৌগাছা (যশোর) ॥ চৌগাছায় আমন ধানের েেত মাজরা পোকার আক্রমণ ও রোগ-বালাইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। প্রতিষেধক প্রয়োগ করেও ফল না পাওয়ায় ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা। এ অবস্থায় কৃষি কর্মকর্তাদের সাহায্য মিলছে না বলেও অভিযোগ কৃষকদের। এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের দাবি, তারা সবকিছু পর্যবেণ করছেন এবং পোকার আক্রমণে তির আশঙ্কা তেমন নেই। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৭ হাজার ৫০ হেক্টর ল্যমাত্রার বিপরীতে ১৭ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। উপজেলায় রোপা আমনের উৎপাদন ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৬ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন। উপজেলার মাঠের ধানেেত প্রায় দুই সপ্তাহ থেকে দেখা দিয়েছে খোলপচা, খোলপোড়া ও গোড়াপচা রোগসহ লেদা পোকা, মাজরা পোকার আক্রমণ। কীটনাশক দিয়েও পোকার আক্রমণ ও রোগ ঠেকাতে পারছেন না কৃষকরা। চাঁদপাড়া গ্রামের কৃষক জাকির হোসেন, ওসমান গনি, রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আবু সিদ্দিকসহ কয়েকজন জানান, এখন ভাদ্র মাসের প্রায় শেষ। কয়েকদিনের মধ্যে ধানে শীষ দেখা দেবে। কিন্তু কোনো কিছুতেই মাজরা পোকার আক্রমণ থেকে ধান তে রা করতে পারছি না। বিভিন্ন কো¤পানির কীটনাশক তিন-চার বার ¯েপ্র করেও কাজ হচ্ছে না।
কৃষকরা বলছেন, এ বছর বর্ষার পরিমাণ বেশি হওয়ায় মাঠজুড়ে ধানের চেহারা ভালো ছিল। কিন্তু হঠাৎ মাজরা পোকার আক্রমণে হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা। কৃষকদের অভিযোগ, মাঠে মাঠে এ অবস্থা বিরাজ করলেও কৃষি বিভাগের লোকজন কোনো খোঁজ খবর নিচ্ছে না। নিজেরাই বাজার থেকে প্রতিষেধক ওষুধ কিনে প্রয়োগ করছেন, কিন্তু ফল হচ্ছে না। এ অবস্থায় ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রইচ উদ্দিন বলেন, এতে কৃষকদের উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। উপযুক্তভাবে পরিচর্যা করলে, সুষম সার প্রয়োগ করলে, জমিতে ডাল পুতে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে এটি দমন করা যায়। বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে তা ফলনে তেমন প্রভাব ফেলবে না। তিনি আরও জানান, েেত পোকার আক্রমণ ঠেকাতে সঠিক এবং পরিমিত কীটনাশক ব্যবহারে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।