খানাখন্দে বেহাল খুলনা-মোংলা মহাসড়কে

মোংলা সংবাদদাতা॥ খুলনা-মোংলা মহাসড়কের খানাখন্দে ভরা প্রায় পাঁচ কিলোমিটার অংশে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ থেকে মোংলার দিগরাজ পর্যন্ত এই পাঁচ কিলোমিটার রাস্তার অধিকাংশ এলাকা ভাঙাচোরা আর গর্তে ভরা। কোনো কোনো স্থানে ডেবে উঁচু-নিচু হয়ে আছে। একটু বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে কাদা হয়ে যায়। মোংলা বন্দরের পণ্য নিয়ে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শত শত ভারী যানবাহন চলাচল করছে। নিয়মিত মেরামত কাজ চললেও ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ফের ভেঙে যায় বলে চালকদের ভাষ্য।
এদিকে, ধারণ মতার অতিরিক্ত পণ্য নিয়ে যানবাহন চলাচল করায় এই সড়কটি টিকছে না বলে দাবি সড়ক ও জনপথ বিভাগের। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে রাস্তাটি ছয় লেনে উন্নীত করতে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়। এই সড়কে চলাচলকারী গাড়ি চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে তাদের সব সময় চলাচল করতে হয়। প্রায়ই রাস্তার মেরামত কাজ করা হচ্ছে তবে তা টিকছে না। কয়েকদিনের মধ্যে তা আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। “একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। বড় বড় যানবাহন চলাচল করায় রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে, গাড়ি নষ্ট হচ্ছে।” রাস্তাটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানান রফিকুলসহ আরও কয়েকজন চালক। বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন বলেন, খুলনা-মোংলা সড়কটি একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। এই সড়কের বেলাই ব্রিজ থেকে দিগরাজ পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে তিগ্রস্ত হয়। “সড়কের এই এলাকা নিচু হওয়ায় এবং দুই লেনের এই রাস্তা দিয়ে শিল্প এলাকার ধারণ মতার অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করায় এই মহাসড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা প্রতিনিয়ত তিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দিনদিন তা বাড়ছে।” তিনি বলেন, এই সড়কে যান চলাচল অব্যাহত রাখতে নিয়মিত মেরামত করতে হচ্ছে। চলমান সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য রাস্তাটি ছয় লেনে উন্নীত করা এবং রাস্তার ধারণ মতা মাপার একটি ওভারলোড নিয়ন্ত্রণ স্টেশন চালু করতে হবে। “আমরা রাস্তাটি ছয় লেনে উন্নীত করতে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এটি অনুমোদন পেলে এই সড়কের স্থায়ী সমস্যার সমাধান হবে।”

Lab Scan
ভাগ