‘সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, নির্বাচিত হলেই সমাধান’

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ঢাকা-১০ উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি বলেছেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত হয়েছে। নির্বাচিত হলেই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হব। আগামী ২১ মার্চ জনগণ আমাকে যদি ভোট দেয়, তাহলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সচেষ্ট থাকব।’ শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর জিগাতলার গাবতলা মসজিদের সামনে গণসংযোগপূর্ব পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকেদের এক প্রশ্নের জবাবে রবি বলেন, ‘এলাকায় মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট সরু। ফুটপাত নেই। আমি নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলব। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমি তাদের বাধ্য করব।’
‘আমি আবারও বলছি, সরকার দানবীয় চরিত্র থেকে বের হয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন দিলে জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে’— বলেন রবি। তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। প্রচারণায় তিনি ব্যানার-ফেস্টুন ব্যবহার করছেন, মাইক ব্যবহার করছেন। বিধি অনুযায়ী যেখানে প্রতি ওয়ার্ডে একটি নির্বাচনী অফিস ব্যবহার করার কথা, সেখানে তিনি একাধিক অফিস ব্যবহার করছেন। ফুটপাত দখল করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছেন।’
সংক্ষিপ্ত পথসভা শেষে গাবতলা মসজিদের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করেন রবি। সেখান থেকে মনেশ্বর রোড, ট্যানারি মোড়, সোনাতনগড় এলাকায় গণসংযোগ শেষে সোনাতনগড় শাহী মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। সেখানে উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে নির্বাচনে বিজয়ী হতে দোয়া চান। এরপর তিন মাজার মনেশ্বর রোড হয়ে জিগাতল সরকারি ছয়তলা কোয়ার্টার এলাকা ও এর আশাপাশ এলাকায় গণসংযোগ করেন।
প্রাচারণা শেষে দেয়া বক্তব্যে শেখ রবিউল আলম রবি বলেন, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতার প্রয়োজন ছিল। দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। এ দেশের মানুষ হারতে জানে না। দেশের মালিক জনগণ। তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভোট দিতে চায়। আমি ও আমার দল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পরিশ্রম করছি। জনগণ তার মূল্যায়ন করবে। তারা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবে, যা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পথকে বেগবান করবে।’ সরকার শক্তি প্রয়োগের চেষ্টা করলে জনগণ তা মোকাবিলা করবে— এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপিপ্রার্থী বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে ভোটার নিয়ে আসার দায়িত্ব আমাদের না। সুষ্ঠু নির্বাচন ও নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, যা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে কমিশন। রাষ্ট্র সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে না পারলে জনগণ অবশ্যই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’ এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ধানমন্ডি থানা শ্রমিক দলের সভাপতি আবু কাওসার, ১৬ নম্বর বিএনিপ সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, যুবদল নেতা হাবীবুর রহমান, হাজারীবাগ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল প্রমুখ।