“খালেদা জিয়া মুক্তি মানেই দুঃশাসন অপশাসনের মুক্তি”

স্টাফ রিপোর্টার॥ যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি। সকল দুঃশাসন, অপশাসন থেকে মুক্তি। যেদিন তিনি মুক্ত হবেন সেই দিন এই অবৈধ সরকারের পতন হবে। ত্ াসিরকার পতন ঠেকাতে বেগম খালেদা জিয়াকে একটি সাজানো মিথ্যা মামলায় দিনের পর দিন কারবন্দি করে রেখেছে। গতকাল সোমবার জেলা বিএনপি কার্যালয়ে কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এবং ঢাকায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. রুহুলন কবির রিজভীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সামবেশে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সরকার জাতির ওপর জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসেছে। যে কারণে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্মম কারাভোগ করতে হচ্ছে। সরকার তার মানবিক এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। যে মামলায় তিনি কারাভোগ করছেন সেই মামলায় তিনি শতভাগ জামিন পাওয়ার যোগ্য। গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও সরকার তাকে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, গোটা জাতি এই জগদ্দল পাথরের হাত থেকে রেহাই পেতে চায়। তারা মনে করেন এ থেকে রেহাই পাওয়ার একমাত্র পথ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। তাই জনতার দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে যখন ঢাকার রাজপথে নেত্রীর মুক্তির জন্যে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. রুহল কবির রিজভী নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। সেই আন্দোলনেও অবৈধ সরকার তার পেটুয়া বাহিনী দিয়ে এই বর্বোরোচিত হামলা চালায়। সেই হামলা য়দলের সিনিয়র নেতাসহ অনেকেই গুরুতর আহত হন। নেতৃবৃন্দ এই হামলায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রেজা দুলু, প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সালাম আজাদ, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান খান, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হোসেন বাবুল। সমাবেশে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলেরে সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সালের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল কুমার বিট, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হায়দার রানা, যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল বাশার সুজন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোল্লা হাবিবুর রহমান, রফিকুল ইসরাম, পিন্টু রহমান প্রমুখ।