ফোনের ব্যাটারি ফুলে গেলে করণীয়

    লোকসমাজ ডেস্ক॥ বর্তমানে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে। হোক সেটা এনড্রয়েড কিংবা উইন্ডোজ কিন্তু ডিভাইস একই। ডিভাইসটি কেনার আগে আমরা আগে যাচাই করি স্মার্টফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ কেমন। চার্জ কতক্ষণ থাকবে।
    বেশ ভালোমানের ব্যাটারি ব্যাকআপ দেখেই আমরা সেই ডিভাইসটি কিনে থাকি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় কিছুদিন ব্যবহারের পর অর্থাৎ ৫-৬ মাস ব্যবহারের পরই দেখা যায় সেটির ব্যাকআপ আগের চেয়ে অনেকাংশে কমে গেছে। আবার অনেক ডিভাইসের ব্যাটারি তো ফুলে ফেপে ঢোল। মোবাইলটি ঠিক আগের মতো ব্যবহার করা যাচ্ছে।
    আপনার ফোন চার্জ হতে বেশি সময় নেয় না। ১২টায় মোবাইলে চার্জ শুরু করলে ২-৩ ঘণ্টায় ফুল চার্জ হয়ে যায়। কিন্তু আরও ৩ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় আপনার ফোনটি ওভারচার্জ হয়। আর এই অতিরিক্ত চার্জ সার্কুলেশন করতে আপনার ফোনের মাদারবোর্ড, ডিসপ্লে, বডি গরম হয়ে এর উত্তাপ পড়ে ব্যাটারি সেলের উপর। তার ফলে মোবাইলের ব্যাটারি ফুলে ওঠে।
    তবে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করলে এ সমস্যাগুলো এড়ানো সম্ভব। জেনে নেয়া যাক ব্যাটারি ফুলে ওঠা রোধে কী করণীয়।
    সারা রাত ফোন চার্জে রাখা যাবে না।
    অতিরিক্ত ব্যবহার অর্থাৎ একটানা ফোনের সব অপশন চালু রেখে মোবাইল চালানো যাবে না।
    ৩জি/৪জি অপ্রয়োজনে চালু/এনাবল করে রাখা যাবে না।
    ফোনের ব্রাইটনেস সবসময় ফুল রাখা যাবে না।
    পাওয়ার সেভ মোড ব্যবহার করতে হবে।
    এক্সট্রা ফিচার যেমন স্যামসাংয়ে স্মার্ট স্টে এই ধরনের ফিচার অফ রাখতে হবে।
    ফোনের ডে-ড্রিম ফিচারটি এনাবল থাকলে সেটি ডিসেবল করে রাখতে হবে।
    একটানা গেমস খেলা, নেট ব্রাউজিং করা যাবে না।
    ফোনের রুট এক্সেস থাকলে অনেক অ্যাপস একসঙ্গে চালু করা হয়। এতে ফোনের উপর প্রেসার পড়ে। এটি করা যাবে না।
    রোদ বা উত্তাপ হতে যতটা সম্ভব ফোনকে দূরে রাখতে হবে।
    যত প্রকার ব্যাটারি অ্যাপস আছে তা থেকে দূরে থাকতে হবে। এটি যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চয় করে তার চেয়ে দ্বিগুণ শক্তি অপচয় করে।

    Lab Scan
    ভাগ