আটক ৪ হামলাকারী কারা?

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে হামলার ঘটনায় চার ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও তিন পুরুষ ছিল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নূর মসজিদসহ দুটি মসজিদে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ৪৯ নিহত হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন ২০ জন।
এদিকে হামলার ঘটনায় নারীসহ চারজনকে আটক এবং কয়েকটি বোমা উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি আধা স্বয়ংক্রীয় শর্টগান ও রাইফেল দিয়ে সাউথ আইল্যান্ডে আল নূর মসজিদে অন্তত ৫০টি গুলি ছোড়ে ২৮ বছর বয়সী ওই যুবক।
হামলার পর এক সংবাদ সম্মেলনে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হামলার ঘটনা ঘটাতে তিনজন পুরুষ যুক্ত ছিল।’
তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। যিনি চরমপন্থী, ডানপন্থী, উগ্রবাদী সন্ত্রাসী।’ চারজনকে আলাদা আলাদাভাবে আটক করা হয়েছে বলেন জানান প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু বিস্তারিত তথ্য জানাননি তিনি।
তবে এ ঘটনায় আরো হামলাকারী থাকতে পারে বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ। দেশটির পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ বলেন, ‘বিপদ কেটে গেছে বলে মনে করছি না।’
অন্যদিকে টুইটারে ৭৪ পাতার ইশতেহার (ঘোষণাপত্র) আপলোড করে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার আগেই হামলাকারী ঘোষণা দেয়। ইশতেহারে ওই হামলাকারী বলে- ‘এটি একটি সন্ত্রাসী হামলা।’ এর মাধ্যমে ওই সন্ত্রাসী হামলার আভাস আগেই তিনি দেয়।
খুদে ব্লগ টুইটারে হামলাকারী নিজের পরিচয় দিয়েছেন ব্রেনটন ট্যারেন্ট নামে। তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রাফটন থেকে এসেছেন। এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার সময় মসজিদের ভেতর থেকে সামাজিকমাধ্যমে সরাসরি ভিডিও সম্প্রচার করেন এ শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী।

ভাগ