হুন্ডি কারবারিদের লাগাম টানতে হবে

0

 

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অতি সম্প্রতি ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অর্থ পাচার চক্রের ১৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এ উপলক্ষে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় হুন্ডির মাধ্যমে গত এক বছরে দেশ থেকে ৭৫ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন বিকাশ এজেন্ট, তিনজন বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর সেলস অফিসার এবং তিনজন বিকাশ ডিএসএস রয়েছেন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮০ টাকা, চারটি সিমে তিন কোটি ৪৬ লাখ ৪৭ হাজার ২২৯ ইলেকট্রনিক মানি এবং ৩৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় চারটি মামলা করেছে সিআইডি।
অর্থপাচারের এমন তথ্য দেশের জন্য সুখকর নয়। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতি বা রিজার্ভের কাক্সিক্ষত অবস্থান রক্ষায় প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রবাস আয়ের প্রবাহ কমে গেলে রিজার্ভে ঘাটতি দেখা দেবে। আমদানি বাধাগ্রস্ত হবে। দেশে অস্থিরতা তৈরি হবে। তাই, যেকোনো মূল্যে রেমিট্যান্স প্রবাহের ক্ষতি রোধ করতে হবে। সিআইডি এ ক্ষেত্রে যে কাজটি করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা আশা করি, অর্থপাচাররোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থাও তাদের কাজের পরিধি বাড়াবে এবং দেশ থেকে মুদ্রাপাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। জানা যায়, এত বিপুল পরিমাণ অর্থপাচারে মোবাইল ব্যাংকিং বা মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এই প্রতিষ্ঠানগুলোকেও অর্থপাচার রোধে উদ্যোগী হতে হবে এবং তাদের কর্মকাণ্ড জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

Lab Scan