হঠাৎ পরিবহন ধর্মঘট বিপাকে যাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের শ্রমিকরা নতুন সড়ক আইন সংশোধনের দাবিতে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে গতকাল রোববার থেকে যশোর থেকে ১৮ টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোর্তজা হোসেন বলেন, শ্রমিকরা কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে না। অনিচ্ছাকৃত দুর্ঘটনার জন্য নতুন সড়ক আইনে তাদের ‘ঘাতক’ বলা হচ্ছে। তাদের জন্য এমন আইন করা হয়েছে যা সন্ত্রাসীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শুধু তাই নয়, নতুন সড়ক আইনের অনেক ধারার ব্যাপারে শ্রমিকদের আপত্তি রয়েছে, যা সংশোধন জরুরি। এ ব্যাপারে শুরু থেকে শ্রমিকরা আপত্তি জানিয়ে আসছেন। তবে সরকার সমাধানের উদ্যোগ না নেয়ায় শ্রমিকরা রোববার দুপুর থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।
এদিকে, পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাস টার্মিনালে এসে আটকা পড়েছেন তারা। শহরের বেজপাড়ার জামিলুর রহমান জানান, ‘দুপুর দু টায় (রোববার) ঢাকায় যাবার জন্য পরিবহনের টিকিট করেছিলাম। বাসটার্মিনালে গিয়ে জানতে পারলাম শ্রমিকরা গাড়ি চালাবেন না’। একই কথা বলেন মোটর পার্টস ব্যবসায়ী রাজা আহমেদ। তিনি জানান, ‘হাঠাৎ ধর্মঘট আহবান করায় বিপাকে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। রাজধানী ঢাকায় যাওয়া জরুরি হলেও বাস পাচ্ছিনা’। পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক করতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাত্রীরা। এ ব্যাপারে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ জানান, ‘পরিবহন ধর্মঘট যাতে স্থায়ী না হয় সেজন্য মালিক-শ্রমিকদের সাথে সভা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করছি এই ধর্মঘট থাকবেনা’।

ভাগ