শিশু হত্যায় বাবা-সৎমায়ের দণ্ড কমে যাবজ্জীবন

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ নাটোরের বড়াইগ্রামে শিশু ইয়াসিন আরাফাত ইমন (৮) হত্যা মামলায় শিশুটির বাবা ইমদাদুল হক মিলন ও সৎমা নাহিদা বেগমকে মৃত্যুদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। আসামিদের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দণ্ডাদেশ কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (৩০ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ এই রায় দেন। বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিলের শুনানি শেষে এ রায় দেন আদালত।
আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম রাবেয়া মিতি। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী শাহানা সাঈদ। পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম রাবেয়া মিতি বলেন, ইমন হত্যায় দুইজনের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছেন হাইকোর্ট। কারণ এই ঘটনার চাক্ষুষ সাক্ষী ছিল না। দুইজনের মধ্যে কে হত্যা করেছেন সেটিও নির্দিষ্ট নয়।
২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়ারী ইউনিয়নের কামারদহ গ্রামে বাবা ইমদাদুল হক মিলন ও সৎমা নাহিদা বেগম শ্বাসরোধ করে ইমনকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ইমনের মা কুলসুমা বেগম থানায় মামলা করেন। চার্জশিট দাখিল ও সাক্ষ্যগ্রহণ নিয়ে মামলার বিচার শেষে ৩১ আগস্ট নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত ইমদাদুল হক ও নাহিদা বেগমকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি ইমদাদুল জেল আপিল করেন। কিন্তু পলাতক থাকায় নাহিদা আপিল করেননি।

Lab Scan