শার্শায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে চরম কষ্টে ১০ পরিবার

0

আজিজুল ইসলাম, বাগআঁচড়া (যশোর) ॥ ‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এমন স্লোগানে দেশে ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করছেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বামুনিয়া সোনাতনকাঠির জামতলা খালধারে ১০টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ওই প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দিয়ে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে বসবাসের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে অভিযোগ করেছেন বরাদ্দ পাওয়া ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা।
তাদের অভিযোগ, তাদের ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ে, চালের টিনে ঠিকমত পেরেক মারা হয়নি, এমনকি অনেক মটকার টিনে মোটেও পেরেক মারেনি। দায়সারাভাবে স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরি করে দিয়ে গেছে, এমনকি ভাঙাচুরা রিংস্লাব স্থাপন করে দিয়েছে। তাদের এখানে ২টা ডিপটিউবওয়েল স্থাপনের কথা থাকলেও সেটা এখনও তারা পাননি। বিদ্যুতের ব্যবস্থা করার থাকলেও সরজমিনে দেখা যায় একটিমাত্র ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। বাকি ঘরগুলো রয়ে গেছে আঁধারে।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর রাস্তার ধারে ধানের জমির পাশে বাস্তবায়িত হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই প্রকল্পের স্থানে পানি আটকে যায়। প্রকল্পের ১০টি ঘর উদ্বোধন করে হস্তান্তর করলেও সেখানে মাত্র তিনটি পরিবার বসবাস করছে। বাকিরা এসব সমস্যার কারণে এখনো সেখানে বসবাস করতে আসিনি।
শাহিদা খাতুন বলেন, ‘এখানে আসার আগে আমাদের বিভিন্ন ধরনের ভাতার কার্ড ও ৬ মাসের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছিল, তার কোনও কিছুরই ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির কাছে এসব অভিযোগ নিয়ে ধর্ণা দিলেও তারা কেউই এখনও পর্যন্ত আমাদের বিষয়টি দেখেনি।’
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারায়ণ চন্দ্র পাল বলেন, ‘বিষয়টি আমি মেম্বারের কাছ থেকে শুনেছি। বিষয়টা আমার দেখছি পিআইও সাহেব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে টিউবওয়েল বসাবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আর বিদ্যুৎ লাইন দিবে পল্লী বিদ্যুৎ।’

Lab Scan