রামপালে খননকৃত সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ

0

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ রামপালে সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে গ্রামবাসীর গণস্বাক্ষর বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রদান করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘোষিয়াখালী ক্যানেল সচলে মৃতপ্রায় সরকারি খালগুলো খনন করে বাগেরহাটের পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি তা আবারও দখলে নিয়ে মৎস্য চাষ শুরু করেন। এ নিয়ে সচেতন গ্রামবাসীর সাথে দখলকারীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গ্রামবাসী বাধা দিলে দখলকারীরা তাদের কয়েক জনকে মারপিট করে আহত করে। এতে মুহিদুল মোল্লা ও তার ভাই শহিদুল মোল্লা আহত হন। অভিযোগে আরও বলা হয়, রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার গিয়াস উদ্দিন ফকিরসহ তার লোক আল আমীন ফকির, বাচ্চু শেখ, রুহুল মোল্লা, আলমগীর হাওলাদার, মোতাচ্ছিন বিল্লাহ, হানিফ হাওলাদার, হাসান হাওলাদার, গোলাম মাঝি, আব্দুর রব মোছাল্লী গং ছোট কাটালী মৌজার আদশীষে খাল ও ইয়াছিন খাল দখল করে মৎস্য চাষ করে আসছেন। অভিযোগের বিষয়ে মেম্বার গিয়াস উদ্দিন ফকির, আল আমীন ফকির, বাচ্চু শেখ, রুহুল মোল্লা, আলমগীরসহ সকলের সাথে কথা হলে তারা মারপিটের ঘটনা অস্বীকার করেন। তারা বলেন, খালগুলো দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যাতে বাড়িঘর ডুবে না যায়। গ্রামবাসীরা সকলে মিলে মাছ চাষ করেন রক্ষণাবেক্ষনের খরচ বাঁচানোর জন্য। সরকারি খাল দখলে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তারা। এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন বলেন, ‘গ্রামবাসীর স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র পেয়েছি। সরকারি খাস খাল দখল করে কাউকে মৎস্য চাষ করতে দেয়া হবে না। প্রবহমান নদী ও খাল দখলকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।’

Lab Scan