যুবলীগ নেত্রী স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল খানের

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ধারের ৪ লাখ টাকা পরিশোধ না করাসহ ব্যাভিচারীর অভিযোগ এনে স্ত্রী জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাজনীন আফরোজ লিজার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার আদালতে মামলা করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফয়সাল খান। তিনি যশোর শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা। মামলায় তিনি শ্বশুর ও শাশুড়িসহ আরো ৩ জনকে আসামি করেছেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদির আইনজীবী সৈয়দ কবীর হোসেন জনি।
মামলার আসামিরা হলেন শার্শা উপজেলার বুরুজবাগানের বাসিন্দা আলতাফ হোসেন , তার মেয়ে নাজনীন আফরোজ লিজা, স্ত্রী রেখা বেগম ও একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা।
মামলায় বাদি ফয়সাল খান উল্লেখ করেছেন, তার স্ত্রী নাজনীন আফরোজ লিজা জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সম্পাদক। রাজনৈতিক লেবাসে স্ত্রী ব্যাভিচারী ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। তার সাথে দাম্পত্য জীবনকালে লিজা তাকে জানান, তার পিতামাতা জমি কেনার জন্য ৪ লাখ টাকা ধার চাচ্ছেন। এ কারণে ফয়সাল খান শ্বশুর ও শাশুড়িকে ৪ লাখ টাকা ধার হিসেবে দেন। কথা ছিলো, তারা ফয়সাল খানকে ৩ মাসের মধ্যে ধারের টাকা পরিশোধ করবেন। এরই মধ্যে ফয়সাল খানের স্ত্রী লিজা যশোর শহরে উচ্চভিলাসী ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। এছাড়া পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি ফয়সাল খান জানতে পেরে গত বছরের ১৫ অক্টোবর শ্বশুর ও শাশুড়িকে নিজ বাড়িতে ডেকে এনে তাদের কাছে তার ধারের ৪ লাখ টাকা ফেরত চান। সেই সাথে তিনি লিজার ব্যাভিচারী কর্মকান্ডের কথা তার পিতামাতাকে অবহিত করেন। তখন শ্বশুর ও শাশুড়ি ফয়সাল খানকে জানান যে, তাদের মেয়ে লিজা আর সোহেল রানার সাথে সম্পর্ক রাখবেন না। এই কথা বলে শ্বশুর ও শাশুড়ি ফয়সাল খানের বাড়ি থেকে চলে যান। এ কারণে ফয়সাল খান তাদের কথা বিশ্বাস করে লিজাকে নিয়ে সংসার করতে থাকেন। এরই মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি ফয়সাল খানের অবর্তমানে সোহেল রানার সাথে চলে যান লিজা। এরপর তারা সোহেল রানার ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতে থাকেন। পরে ফয়সাল খান খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, বিষয়টি লিজার পিতামাতা অবহিত রয়েছেন। এসব কারণে গত ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে ফয়সাল খান স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশড়িকে নিজ বাড়িতে ডেকে এনে ধারের ৪ লাখ টাকা ফেরত চান। কিন্তু তারা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে সেখান থেকে চলে যান।

Lab Scan