যানজট ও জনদুর্ভোগের জন্য দায়ী সরকারের পরিকল্পনা : এলডিপি

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ লকডাউনের পর ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপে রাজধানী ঢাকা থেকে বের হওয়ার সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ছোট-বড় সব পরিবহন দাঁড়িয়ে আছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ। আর এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী সরকারের পরিকল্পনা। এমন মন্তব্য করেছেন ২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি সভাপতি আবদুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম।শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের দেশে রাস্তা ও গণপরিবহন সংকটের কারণে ঈদুল আজহার পরের দিন ২২ জুলাই মাত্র একদিন গ্রামের বাড়ি থেকে রাজধানীতে বা কর্মস্থলে পৌঁছানো সম্ভব নয়। ফলে জনমানুষের স্রোতে সরকারের সকল পরিকল্পনা ব্যর্থ হচ্ছে। এমনিতেই সড়কে যানজট বেশি থাকে। লকডাউন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পরে যানজট আরো বেড়েছে। এরই প্রভাব পড়েছে রাজধানী ও দেশের সকল সড়ক-মহাসড়কগুলোতে।
নেতৃদ্বয় বলেন, একদিকে ঘরমুখো মানুষবাহী অগুনতি যানবাহন অন্যদিকে মহাসড়কের পাশে পশুবাহী ট্রাকের আধিক্যে যানজট অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এলোমেলো গাড়ি চলাচল, খালি জায়গা পেলেই লাইন ভেঙে এলোপাতাড়ি ঢুকে যাওয়ার প্রবণতা ট্রাফিক ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি করেছে। তার খেসারত দিতে হচ্ছে অসহায় যাত্রীদের। মহাসড়কে যানজটের জন্য চাঁদাবাজিও দায়ী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন এবং পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নামে চাঁদাবাজি চলছে প্রতিটি মহাসড়কের একাধিক স্থানে। কখনো কখনো দুর্ঘটনার কারণে যানজট অসহনীয় হয়ে উঠছে। রাস্তাগুলোর দুরবস্থাও অনেক ক্ষেত্রে যানজটে উৎসাহ জোগাচ্ছে।
নেতৃদ্বয় বলেন, দেশবাসী আশা করছে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তিতে ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে মহাসড়কগুলোতে সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা গেলে যানজট অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। একইসাথে মহাসড়কের পাশে যাতে পশুরহাট না বসে এবং নানা নামে যাতে কোনো চাঁদাবাজি না হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের ব্যর্থতার কারণে ২২ জুলাই কর্মস্থলে ফেরার জন্য একদিনে সবাই রাস্তায় নামলে যানজট, জনজট, গণপরিবহন, ফেরিঘাট, টার্মিনালে মানুষের গাদাগাদিতে ভয়াবহ ভোগান্তির পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে। তাতে গত ১৪ দিনে কঠোর লকডাউনের অর্জিত ফলাফল শূন্যের কোটায় পৌঁছবে।

Lab Scan