যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষার অত্যাধুনিক মেশিন ৪ মাস বন্ধ রেখে এনালগে পরীক্ষা

0

 

বিএম আসাদ ॥ যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের রক্ত পরীক্ষার অত্যাধুনিক মেশিন চার মাস বন্ধ রয়েছে। বিকল্প হিসেবে একটি এনালগ মেশিনে রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। যার রিপোর্টের সঠিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে গিয়ে জানা যায়, রক্তের ভাইরাস নির্ণয় করার জন্যে সেল কাউন্টার মেশিনের প্রয়োজন হয়। রক্তে কোন ভাইরাস আছে কিনা তা জানা যায় এ মেশিনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অতিপ্রয়োজনীয় ও মূল্যবান সেল কাউন্টার মেশিন। হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে মেশিনটি থাকলেও তা ব্যবহার হচ্ছে না। অথচ, চিকিৎসকগণ অধিকাংশ রোগীর সিবিসি পরীক্ষা দিচ্ছেন সঠিক চিকিৎসা প্রদানের স্বার্থে। কিন্তু সেল কাউন্টারে মেশিন চালু না থাকায় রক্ত পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবহারের অভাবে মূল্যবান মেশিনটি পড়ে রয়েছে এবং নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। রি-এজেন্ট কেমিক্যাল সরবরাহ না থাকার কারণে গত ৪ মাস ধরে সেল কাউন্টার মেশিনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তারপরও অনেক আগের একটি এনালগ মেশিনে সিবিসি পরীক্ষা করে রোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত টাকা নেয়া হচ্ছে এবং রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। যে রিপোর্টের সঠিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সূত্র জানিয়েছেন, ওই মেশিনের কিছু রি-এজেন্ট আছে। সেই রি-এজেন্ট দিয়েই সিবিসি পরীক্ষা করা হচ্ছে। পুরনো ওই এনালগ মেশিনে পরীক্ষা করা রিপোর্ট ভাল হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে গবির-রোগীরা অতিকষ্টে জোগাড় করা টাকা দিয়ে সিবিসি পরীক্ষা করছেন। কিন্তু ভাল রিপোর্ট পাচ্ছেন না। ফলে সচেতন লোকজন বাইরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে দুই তিনগুণ মূল্যে সিবিসি পরীক্ষা করছেন। এ বিষয়ে প্যাথলজি বিভাগের টেকনোলজিস্ট পারভেজ মোশারফের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, ভাল রিপোর্ট কখনো হচ্ছে, কখনো হচ্ছে না। কাউন্টার সেল মেশিনের মতো এর রিপোর্ট এতো ভালো হয় না। তবে, সঠিক না হলে কেন পরীক্ষা বন্ধ রাখা হচ্ছে না এমন প্রশ্নের উত্তরে পারভেজ মোশাররফ বলেন, এটা স্যারদের ব্যাপার। আমাদের উপর যে নির্দেশ থাকবে তা আামরা পালন করবো।
বিষয়টি জানতে তত্ত্বাবধায়কের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Lab Scan