যশোর শিক্ষা বোর্ডের উপসচিবের বিরুদ্ধে চাকরি দেয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এক যুবতীকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পাইয়ে দেয়ার কথা বলে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপসচিব জাহানারা খাতুন ঝর্নার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নার্গিস সুলতানা নামে ভুক্তভোগী ওই যুবতী মঙ্গলবার উপসচিব জাহানারা খাতুন ও তার স্বামী আব্দুল মান্নানকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন।
অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আহমেদ অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আদেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্তদের বাড়ি যশোর উপ-শহরের এফ-ব্লকে। অপরদিকে মামলার বাদি নার্গিস সুলতানা একই এলাকার তৌহিদ হোসেন বিপ্লবের স্ত্রী।
নার্গিস সুলতানা মামলায় উল্লেখ করেছেন, আসামিদের সাথে তার পরিবারের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। নার্গিস সুলতানা এমএ পাশ করেছেন। এ কারণে যশোর শিক্ষা বোর্ডের উপসচিব জাহানারা খাতুন ঝর্না তাকে বলেন, ৬ লাখ টাকা দিলে তিনি তাকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে অথবা শিক্ষা বোর্ডে চাকরি পাইয়ে দেবেন। এবং টাকা নেওয়ার ১ বছরের মধ্যে চাকরি পাইয়ে দেবেন। এ সময় জাহানারা খাতুন ছাড়াও তার স্বামী আব্দুল মান্নান আরো বলেন, অগ্রিম হিসেবে তাদেরকে ২ লাখ টাকা দিতে হবে। নিয়োগপত্র হাতে দেয়ার পর তাদেরকে বাকি ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে। তাদের দাবি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর জাহানারা খাতুন ঝর্নার সোনালী ব্যাংক বিআইএমই শাখার হিসেব নম্বরে দুই লাখ টাকা জমা দেন নার্গিস সুলতানা। কিন্তু টাকা প্রদানের ১ বছর পার হয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নার্গিস সুলতানাকে চাকরি দিতে পারেন নি জাহানারা খাতুন ঝর্না। এ কারণে নার্গিস সুলতানা টাকা ফেরত চাইলে জাহানারা খাতুন ঝর্না ও তার স্বামী আব্দুল মান্নান তাকে ঘুরাতে থাকেন। সর্বশেষ গত মে বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চান নার্গিস সুলতানা। কিন্তু তারা তাকে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন এবং হুমকি- ধামকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। কোনো উপায় না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নার্গিস সুলতানা।

Lab Scan