যশোর জেনারেল হাসপাতালের পরিবেশ দুষণ করছে পরিত্যক্ত ভবনগুলো

0

বিএম আসাদ ॥ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের পরিত্যক্ত ভবনগুলো পরিবেশ দূষণের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এসব ভবনগুলো একদিকে মাদকসেবীদের আঁখড়ায় পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে মশা-মাছি প্রজণনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এসব ভবনগুলো ভেঙে অপসারণ করার জন্য হাসপাতালে বারংবার সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন মিলছে না।
সূত্র জানিয়েছেন, হাসপাতাল চত্বরের অর্ধেক অংশ জুড়ে রয়েছে এসব পরিত্যক্ত ভবনের অবস্থান। জরুরি বিভাগের সামনে এ এলাকাটিতে রয়েছে পুলিশ বক্স। এতে কাজ হচ্ছে না। রোগীর লোক পরিচয়ে মাদকসেবীর মর্গে যাওয়ার নাম করে পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর চলে যায় এবং সেখানে গিয়ে নির্বিঘেœ মাদক সেবন করে। আবার রাতের বেলা এ ভবনের ভেতর চলে অসামাজিক কাজ। প্রেমিক-যুগলদের চলাফেরা ওই নির্জন স্থানে। এছাড়া ময়লা আবর্জনায় ভরা এ এলাকাটিতে বিভিন্ন লতা-গুল্মে ভরা থাকে। পরিষ্কার করলে কিছুদিনের মধ্যে আবার বন-জঙ্গলে ভরে যায়। এখানে জন্ম নেয় অসংখ্য মশা-মাছি। যেখানে ডেঙ্গু মশারসহ নানান ধরনের মশা জন্ম নিচ্ছে আবর্জনার মধ্যে। এছাড়া পরিত্যক্ত ড্রেনের ভেতর মলমূত্র ও পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে বায়ু দুষণ ঘটাচ্ছে।
এ অবস্থায় ওই এলাকার পরিত্যক্ত ভবনগুলো ভেঙ্গে অপসারণ করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেন। গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার সভা করেছেন। এলাকাটি পরিবেশ দুষণমুক্ত করার জন্য পরিত্যক্ত ভবনগুলো ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। কিন্তু এসব সিদ্ধান্ত আজও বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে হাসপাতাল এলাকার পরিবেশ দুষণ মুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হারুন-অর-রশিদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন,অনেকবার এ নিয়ে মিটিং-সিটিং করা হয়েছে। মিটিংয়ের সিদ্ধান্তগুলো ঢাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না।

Lab Scan