যশোরে ষষ্ঠীতলায় পুকুর ভরাট নিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে আটক ১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহরের ষষ্ঠীতলা বুনোপাড়ায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে পুকুর ভরাট কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একটি চক্র পুকুর মালিকের কাছে ওই টাকা দাবি করে আসছে। এ ঘটনায় গত বুধবার রাতে তিনি ২জনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিরা হচ্ছেন, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার ছবর আলীর ছেলে শহিদুজ্জামান সেলিম ওরফে ট্যারা চঞ্চল (৪০) ও ষষ্ঠীতলার আহম্মদ আলীর ছেলে ফিরোজ (৪৫)।
ষষ্ঠীতলা বুনোপাড়ার মৃত ওহিদ উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে এটি মোস্তফা হিল্লোলের অভিযোগ আসামি শহিদুজ্জামান সেলিম ওরফে ট্যারা চঞ্চল বেশ কিছুদিন ধরে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। কিন্তু দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় তার পুকুর ভরাট কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বুনোপাড়া রোডে তার ৩ বিঘা জমিতে এই পুকুর রয়েছে। পুকুর মাটি দিয়ে ভরাচের জন্য তিনি মনিরুল ইসলাম ও মো. সৌখিন নামে দু জন ঠিকাদারকে নিয়োগ দিয়েছেন। গত ৫ জুলাই বেলা ১১টার দিকে ট্যারা চঞ্চল ও তার সহযোগী ফিরোজসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পুকুর পাড়ে যান এবং দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে তারা মাটি ফেলা কাজ বন্ধ করে দেন। এ সময় ট্যরা চঞ্চল ঠিকাদার মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ও মো. সৌখিনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেন। পুলিশ জানায়, আসামি ট্যারা চঞ্চলকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে আটক করা হয়েছে। থানা পুলিশের এসআই আমিরুজ্জামান তাকে আটক করেন। এদিকে ট্যারা চঞ্চলের স্বজনদের অভিযোগ, টাকা পাওয়ায় পুকুরে মাটি ভরাট কাজ নেপথ্যে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় একজন আওয়ামী লীগ নেতা। ওই নেতা প্রথমে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান গ্রুপে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি পরে এমপি গ্রুপে চলে যান। এরপর আবার তিনি ফিরে গেছেন চেয়ারম্যান গ্রুপে। তারা জানান, পরিবেশ রক্ষার জন্য পুকুর ভরাট বন্ধ রাখতে এলাকাবাসী সরকারি বিভিন্ন দফতরে গণপিটিশন দিয়েছেন। শহিদুজ্জামান চঞ্চলও এই পিটিশনে সই করেছেন। এ কারণে পুকুর ভরাট কাজ চালিয়ে যেতে ওই আওয়ামী লীগ নেতার ইন্ধনে শহিদুজ্জামান চঞ্চলকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।

ভাগ