যশোরে মোস্তাফিজুর হত্যা মামলার আরো ৩ আসামি আটক, এক জনের স্বীকারোক্তি

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে আরএস ফিড কোম্পানির ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আরো ৩ আসামিকে আটক করেছে পুলিশ।
কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মো. মনিরুজ্জামান জানান, মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ আসামিকে গত সোমবার কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে থেকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর মধ্যে সুজন হোসেন ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আটকরা হলেন শহরতলীর বিরামপুর কালীতলা এলাকার ইসহাক গাজীর ছেলে ইব্রাহিম, শামীম হোসেনের ছেলে ইমরান ও আসলাম হোসেনের ছেলে সুজন হোসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, সোমবার সকালে আসামি ইব্রাহিম, ইমরান ও সুজন পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তারা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
সূত্র আরও জানিয়েছে, আটক ইমরান ৫০ হাজার টাকা পেতেন মোস্তাফিজুরের কাছে। এ নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জের ধরে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিলো।
পুলিশ জানায়, গত রোববার বিকেলে আসামিরা মোস্তাফিজুরকে ইজিবাইকে উঠিয়ে ধর্মতলার দিকে নিয়ে যান। পথে তাকে ছুরিকাঘাত করেন আসামি ইব্রাহিম। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ধর্মতলায় যাবার পর তারা সেখান থেকে ফিরে আসেন এবং চাঁচড়া চেকপোস্ট হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান মোস্তাফিজুরকে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক এ সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সূত্র আরো জানায়, গত রোববার আটক অন্তর মন্ডল ও রাব্বি হাসানও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। জবানবন্দিতে তারা টাকা সংক্রান্ত ঘটনায় মোস্তাফিজুরকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে জানিয়েছেন। ইব্রাহিম তাকে ছুরিকাঘাত করেন।
নিহত মোস্তাফিজুর রহমান সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সুলতানপুর সাহাপাড়া আব্দুল্লাহ আল মামুনের ছেলে তিনি। গত রোববার বিকেলে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে তিনি খুন হন।

 

 

 

Lab Scan