যশোরে মেলায় শেষ সময়ে বইপ্রেমীদের ভিড়

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর মুন্সি মেহেরুল্লাহ ময়দানে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র যশোর শাখা, জেলা প্রশাসন ও যশোর ইনস্টিটিউটের আয়োজনে বইমেলার সময় আরও তিনদিন বাড়ানো হয়েছে। গত ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলা চলার কথা থাকলেও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আগামী ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও তিনদিন এ মেলা চলবে।
শেষ সময়ে এসে বই মেলায় নানা শ্রেণীপেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরসহ তরুন-তরুণীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তারা মেলার স্টল ঘুরে পছন্দের বই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বইমেলা ঘুরে দেখা গেছে, সব স্টলেই কমবেশি বইপ্রেমীদের ভিড় বেড়েছে। যশোরের কবি, গল্পকার, শিশুসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিকরাও মেলায় উপস্থিত হয়ে ক্রেতা ও পাঠকদের উৎসাহিত করছেন। সাথে মেলা মঞ্চে চলছে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যা প্রতিদিন রাত ৮ টা পর্যন্ত চলছে বলে আয়োজকরা জানান।
মেলায় কথায় কবি কবীর শাহাজাহানের সাথে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর যশোর টাউন হল ময়দানে এতো বড় আয়োজনে বইমেলা হচ্ছে। এখানে এসে হৃদয়ে আনন্দ অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে এক ধরণের জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, সাহিত্যের সূতিকাগার যশোরে প্রতিবছরই এধরণের বই মেলার আয়োজন করা উচিৎ।
কবি ও অণুগল্পকার মামুন আজাদ বলেন, এ মেলার মাধ্যমে এ সাহিত্যপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হয়েছে। প্রতিবছর বই মেলা হবে এটাই স্বাভাবিক। এটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি। মানুষ বই পড়বে, সাহিত্যচর্চায় মনোযোগী হবে এটাই সকলের প্রত্যাশা। আশা করছি আগামীতে এভাবেই যশোর টাউন হল ময়দানে বই মেলার আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, আগে যশোর ইনস্টিটিউটের আয়োজনে বই মেলা অনুষ্ঠিত হতো। দীর্ঘদিন পর আবার টাউন হল ময়দানে বই মেলা ফিরে এসেছে। মেলায় মানুষের উপস্থিতি ও উৎসাহ দেখে আমরা অনুপ্রাণীত হচ্ছি। আশা করি আগামীতে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবো।
এদিকে মেলার ষষ্ঠ দিনে গতকাল উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক শিশু ও কিশোরদের উপস্থিতি দেখা যায়। এসব শিশুরা তাদের বাবা-মার হাত ধরে মেলায় এসে পছন্দের বই কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

Lab Scan