যশোরে বুনো আসাদকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মামলা, আটক ১

0

 

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের আলোচিত ‘সন্ত্রাসী’ আসাদুজ্জামান আসাদ ওরফে বুনো আসাদকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। ৪ জনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন তার ভাই সাহিদুর রহমান। পুলিশ এই মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামিকে একইদিন রাতে নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড় এলাকা থেকে আটক করেছে। চঞ্চল আহমেদ (৩৮) নামে ওই আসামি বেজপাড়া বনানী রোডের আক্কাস আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, বেজপাড়া বনানী রোডের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান আসাদকে গত মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড়ের নুরুন্নাহার হোমিও হলের সামনে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় আসাদুজ্জামান আসাদের ভাই সাহিদুর রহমান কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। আসামিরা হলেন বেজপাড়া বনানী রোডের চঞ্চল আহমেদ, খোকনের ছেলে আকাশ, নাজির শংকরপুর মাঠপাড়ার মো. কাসেমের ছেলে হাসান ওরফে খাবড়ী হাসান এবং চাঁচড়া রায়পাড়ার বিপ্লব। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসাদুজ্জামান আসাদ নুরুন্নাহার হোমিও হলে ওষুধ কিনতে গিয়েছিলেন। এ সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা কোনো কথাবার্তা না বলেই হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা চালায়। আসামিদের মধ্যে খাবড়ী হাসান বার্মিজ চাকু দিয়ে আসাদুজ্জামান আসাদের বুকের বাম পাশে আঘাত করেন। এ সময় আসাদুজ্জামান আসাদ মাটিতে পড়ে গেলে অন্য আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি লাথি, কিলঘুষি মারেন। এছাড়া তার পকেট থেকা ১২ হাজার টাকা বের করে নেন আসামিরা। এক পর্যায়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা খুন জখমের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান। পরে গুরুতর জখম আসাদুজ্জামান আসাদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা । আটক চঞ্চল আহমেদের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, আসাদুজ্জামান আসাদকে ছুরিকাঘাতের ঘটনার সাথে চঞ্চল জড়িত নন। চঞ্চল বেজপাড়া বনানী রোডের পুলিশিং কমিটির একজন কর্মকর্তা। পূর্বে এই কমিটির কর্মকর্তা ছিলেন আসাদ। কিন্তু তার নানা অনৈতিক কর্মকা-ের কারণে পরবর্তীতে গঠিত কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় চঞ্চলসহ অন্য কর্মকর্তার ওপর তার আক্রোশ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে আসাদুজ্জামান আসাদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা চেষ্টার মামলায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে চঞ্চলকে আসামি করা হয়েছে।

 

 

 

Lab Scan