যশোরে আলোচিত হুজুর ইয়াসিন হত্যায় স্বর্ণকার রানাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নিজ এলাকায় প্রতিপক্ষের ওপর হামলা ও বাড়ি নির্মাণে ইট বালির ব্যবসা থেকে হিস্যা আদায়সহ নানা দ্বন্দ্বের জের ধরে খুন হয়েছেন যশোর শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়া আকবরের মোড় এলাকার আলোচিত ইয়াসিন আরাফাত ওরফে হুজুর ইয়াসিন। ডিবি পুলিশের তদন্তে এমনই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্ত শেষে একই এলাকার স্বর্ণকার রানাসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম।
চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন, শংকরপুর চোপদারপাড়ার তোরাব আলীর ৩ ছেলে যথাক্রমে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে স্বর্ণকার রানা, রুবেল হোসেন ও হাফিজুর রহমান, রেজাউল ইসলামের ছেলে আব্দুল কাদের ওরফে শান্ত, শংকরপুর চোপদারপাড়া আকবরের মোড় এলাকার আকবর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম, সৈয়দ আহমেদের ছেলে শফিক, একই এলাকার ময়না, বেজপাড়া কবরস্থান এলাকার খবির আলী শিকদারের ছেলে জীবন শিকদার, শংকরপুর মাঠপড়ার আইয়ুব আলী মিস্ত্রির ছেলে সুমন ও বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার আব্দুল মজিদ ড্রাইভারের ছেলে নজরুল ইসলাম ওরফে নজু ডাকাত। এর মধ্যে সুমন, ময়না ও নজু ডাকাতকে পলাতক এবং বাকী ৬ জনকে আটক দেখানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মফিজুল ইসলাম জানান, স্বর্ণকার রানা কয়েক বছর আগে হুজুর ইয়াসিনের গংয়ের হামলায় আহত হয়েছিলেন। এ কারণে স্বর্ণকার রানা ক্ষুব্ধ ছিলেন হুজুর ইয়াসিনের ওপর। এর প্রতিশোধ নিতে স্বর্ণকার রানা গং পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে। এই হত্যা পরিকল্পনার সাথে যুক্ত ছিলেন ভারতে পলাতক নজু ডাকাতসহ অন্যরা। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই ধারালো অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন অভিযুক্ত সুমন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে শংকরপুর রেললাইন সংলগ্ন ব্রাদার্স ক্লাবের ভেতর প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে খুন হন আলোচিত ইয়াসিন আরাফাত ওরফে হুজুর ইয়াসিন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শাহানা আক্তার নিশা কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।

 

 

Lab Scan